হালদা দূষণমুক্ত রাখতে ইউএনওর অন্যরকম উদ্যোগ

সুপ্রভাত ডেস্ক

বাসা-বাড়ির ময়লা-আবর্জনা পাশের নালা-নর্দমায় ফেলেন অনেকে। এসব আবর্জনা গড়িয়ে যায় খালে। এরপর নদীতে। প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিনের প্যাকেট, খাবারের উচ্ছিষ্ট-কী থাকে না সেখানে! ফলে দূষিত হয় নদী। মারা যায় মাছ। ধ্বংস হয় জীববৈচিত্র্য। খবর বাংলানিউজের।
তবে দেশের প্রধান প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননকেন্দ্র হালদা নদীকে দূষণমুক্ত রাখতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রুহুল আমিন।
হাটহাজারী পৌর এলাকার প্রধান খাল কামাল পাড়া খালের’ মুখে লোহার

অস’ায়ী গ্রিল বসিয়ে, তাতে আটকে যাওয়া ময়লা-আবর্জনা প্রতি সপ্তাহেই পরিষ্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। এর ফলে হাটহাজারী পৌর এলাকার বিভিন্ন নালা-নর্দমা থেকে আসা ময়লা-আবর্জনা আর পড়ছে না হালদা নদীতে।
মো. রুহুল আমিন জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাশাপাশি হাটহাজারী পৌরসভার প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্বও পালন করতে হচ্ছে। পৌর এলাকার বাসিন্দাদের অনেকেই ময়লা-আবর্জনা নালা-নর্দমায় ফেলেন। এসব গিয়ে পড়ে কামাল পাড়া খালে। দূষিত হয় হালদা নদী।
তিনি বলেন, হালদাকে দূষণমুক্ত রাখতে দুই সপ্তাহ আগে কামাল পাড়া খালের মুখে গ্রিল বসানোর উদ্যোগ নিই। এখন খালের ময়লা-আবর্জনা সব গ্রিলে আটকে থাকছে। সপ্তাহ পর পর গ্রিল পরিষ্কার করে ময়লা-আবর্জনা তুলে ফেলা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের উত্তরে রুহুল আমিন বলেন, প্রতি সপ্তাহে প্রায় আধা ট্রাক ময়লা আমরা পরিষ্কার করছি। তবে জাতীয় সম্পদ হালদাকে বাঁচাতে সবার সচেতনতা জরুরি। মানুষ সচেতন না হলে আমরা যত উদ্যোগই নিই, তা টেকসই হবে না। হালদাকে দূষণের হাত থেকে বাঁচানো যাবে না।