হস্তশিল্পের প্রথম সোস্যাল মার্কেটপ্লেস চালু করল ‘দর্পণ’

বিজ্ঞপ্তি

মৌলিক নকশা এবং সৃজনশীল হাতের তৈরি পণ্যগুলির জন্য ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ‘দর্পণ’ সোমবার যাত্রা শুরু করলো। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চমৎকার ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প পণ্য কেনা এবং বিক্রি করার জন্য ‘দর্পণ’ তাদের ওয়েবসাইট িি.িসুফড়ৎঢ়ড়হ.পড়স চালু করে। এই মার্কেটপ্লেসের মাধ্যমে হস্তশিল্পপ্রেমীদের জন্য কেনাকাটা খুব সহজ এবং সুবিধাজনক হবে। দর্পণ এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে যে কোনো সৃজনশীল উদ্যোক্তা তার দোকানসমূহ স’াপন থেকে শুরু করে পণ্য প্রদর্শন করা, সঠিক মূল্য নির্ধারণ, তাদের পণ্যের প্রমোশন, বিক্রি এবং সবশেষে ক্রেতাদের কাছে তাদের পণ্য পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে। এই উদ্যোগের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো মধ্যস’তাকারী ছাড়াই সৃজনশীল হস্তশিল্পের উৎপাদকদের ক্ষমতায়ন করা। দর্পণ এর সিইও ফিরোজ আহমেদ খান উদ্বোধনী বক্তব্যে অতিথিদের স্বাগত জানান এবং ‘দর্পণ’ সর্ম্পকে ধারণা দেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন দর্পণ এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ এ. রুমি আলী। সিইও ফিরোজ খান বলেন, ‘দর্পণ’ সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের জন্য একটি মার্কেট, সেবা এবং প্রযুক্তি সেবা প্রদান করে, যার মাধ্যমে সৃজনশীল উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসাসমূহ প্রচার এবং প্রসারে সহায়তা পাবে। আমরা এমন বাজার তৈরি করি, যা রুচিশীল ক্রেতাদের দেশব্যাপী বিক্রেতাদের কাছ থেকে স্বতন্ত্র ও সৃজনশীল পণ্য কিনতে সহায়ক হয়। ‘দর্পণ’ এর চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ এ রুমী আলী বলেন, আমরা দিন দিন বাংলাদেশের ঐতিহ্যের শিকড় থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছি, এখনই সময় আমাদের সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের গৌরব পুনর্নির্মাণের। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে দেশের হস্তশিল্পীদের এবং সৃজনশীল উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়ন করা। অনুষ্ঠানে সারা দেশে দর্পণের কারিগরদের দ্বারা তৈরি ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি হস্তশিল্প এবং অন্যান্য আদিবাসীদের হাতের তৈরি পণ্য প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শিত কিছু পণ্য যেমন ঢাকাই জামদানি, গয়না, পাটজাত দ্রব্য, নকশি কাঁথা, রিকশা চিত্রশিল্প অন্তর্ভূক্ত ছিল। প্রদর্শনীটি করপোরেট কোম্পানিসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মিডিয়া সেলিব্রেটিদেরকেও আকৃষ্ট করে।