স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মহিউদ্দিন চৌধুরী

মোয়াজ্জেমুল হক

তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের অভিভাবক। মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখ সমরে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করে যারা এদেশকে স্বাধীন করেছেন, স্বাধীনতার লাল সূর্যের পাতাকা ছিনিয়ে এনেছেন, চট্টগ্রামের মহিউদ্দিন তাদেরই অন্যতম একজন। শুক্রবার এই বীর মুক্তিযোদ্ধার চিরবিদায়ের পর মহিউদ্দিন অধ্যায়ের অবসান ঘটল। তিনি চট্টলবীর, তিনি চট্টলবন্ধু, তিনি চট্টল দরদি, তিনি বাঘা মহিউদ্দিন। যেখানেই অন্যায় অবিচার, নিপীড়ন সেখানেই বাঘা মহিউদ্দিনের হুংকার ছিল দৃশ্যমান। তিনি ছিলেন আধুনিক চট্টগ্রামের রূপকার এবং এ অঞ্চলের রাজনীতির হার্টথ্রব। জাতীয় রাজনীতিতেও তার অবদান অনস্বীকার্য। ঐতিহাসিক পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পাদন পূর্ববর্তী সময়ে যে কজন রাজনীতিক এর সমন্বয় সাধনে অগ্রণী ছিলেন তিনি তাঁদেরও একজন।
চট্টগ্রামের আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির পাশাপাশি হ্যাট্টিক বিজয়ী মেয়র হয়ে তিনি চট্টগ্রামবাসীর অভিভাবকের পাশাপাশি জীবন্ত কিংবদন্তীতে পরিণত হন। হার্ট, ডায়াবেটিস ও কিডনিজনিত জটিল রোগ এই বীর মুক্তিযোদ্ধাকে চট্টগ্রামবাসীর কাছ থেকে আকস্মিকভাবে ছিনিয়ে নিয়েছে। ‘জন্মিলে মরিতে হইবে’- মহিউদ্দিন চৌধুরীর ক্ষেত্রেও এর ব্যত্যয় ঘটার অবকাশ ছিল না। তবে তাঁর এ মৃত্যু গোটা চট্টগ্রামকে, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকে প্রচণ্ড এক ঝাঁকুনি দিয়ে গেল। শুক্রবার বিকেলে ঐতিহাসিক লালদিঘি ময়দান তাঁর জানাজাটিও ছিল ঐতিহাসিক। চট্টগ্রামে এ যাবতকালের সর্ববৃহৎ জানাজাটি প্রত্যক্ষ করল চট্টগ্রামসহ সমগ্র দেশবাসী। সুন্দর এ পৃথিবীকে বিদায় জানিয়ে মহিউদ্দিন এখন মহাসিন্ধুর ওপারে।
তিনি ছিলেন ব্যতিক্রমী একজন রাজনীতিবিদ। চট্টগ্রামের স্বার্থে তিনি ছিলেন অবিচল। আপোষকামীতার উর্ধ্বে। আধুনিক চট্টগ্রামের রূপকারও ছিলেন তিনি। মেয়র থাকাকালে এ নগরীর সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য তিনি অর্জন করেন ব্যাপক সাধুবাদ। বৃক্ষ রোপনে দুইবার পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। কোথায় ছিল না এই মহিউদ্দিনের পদচারণা। রাস্তার ফুটপাতের হকার থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চস্তর পর্যন্ত মহিউদ্দিনের কর্মকাণ্ডের ছোঁয়ায় সকলেই ছিলেন আপ্লুত।
বহুমাত্রিক চরিত্রের অধিকারী ছিলেন তিনি। রাজনীতির যে মহান ব্রত সমাজ সেবা তার জীবন্ত রূপে চট্টগ্রামে আবির্ভুত হয়েছিলেন তিনি। রাউজানের গহিরার বক্স আলী চৌধুরী পরিবারের হোসেন আহমদ চৌধুরীর ঔরশজাত মহিউদ্দিন চৌধুরী শিশুকাল কেটেছে গ্রামে। পরবর্তীতে তৎকালীন ইস্টার্ন রেলওয়েতে কর্মরত পিতার চাকরির সুবাদে শিক্ষা গ্রহণের জন্য তাঁকে দায় দফায় স’ান বদল করতে হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনের পরিবেশ তিনি দেখেছেন। প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা গ্রহণ করেছেন। অনুরূপভাবে রাজনীতিতেও তাঁর স’ান করে নেওয়ার সিঁড়িটি মসৃন ছিল না। ছাত্রলগের রাজনীতি দিয়ে শুরু করে তিনি শ্রমিক রাজনীতি এবং পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে যোগ দিয়ে চট্টগ্রামে দলের কাণ্ডারিতে পরিণত হয়েছিলেন। এসবই এখন ইতিহাস।
তিনি ছিলেন চট্টগ্রামবাসীর জন্য স্বপ্নের ফেরিওয়ালা। স্বপ্ন দেখতেন, ফেরি করে বেড়াতেন। আর তা বাস্তবায়নে সদা তৎপর থাকতেন। টানা সতের বছর মেয়র থাকাকালে তিনি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সবকটি ওয়ার্ডে অজস্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। যা আজ সাক্ষ্য হয়ে নিজ নিজ অবস’ান থেকে মহিউদ্দিনের অবাদনকে জানান দিচ্ছে।
মহিউদ্দিন চৌধুরী রক্ত মাংসে ছিলেন আঞ্চলিক নেতা। সুযোগ পেয়েও জাতীয় নেতা, এমনকি মন্ত্রীত্বের আহ্বান পেয়েও এর স্বাদ নেননি। দলীয় হাইকমাণ্ডের বহু অনুনয় বিনয় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এ যুগের রাজনীতিবিদদের ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা বিস্ময়কর। সাদা পায়জামা পাঞ্জাবি, কালো মুজিব কোট ও সাদা টুপি পরিধানকারী মহিউদ্দিন চৌধুরীর অবয়ব হাজারো মানুষের মাঝে বিশেষভাবে ছিল লক্ষণীয়।
দেশে সিটি গভর্নমেন্ট প্রতিষ্ঠার জন্য তাঁর তৎপরতা ছিল সর্বাগ্রে। যদিও সে স্বপ্ন তাঁর পূরণ হয়নি। আগামীতে হবে কিনা তা ভবিষ্যতে বলে দেবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে তিনি সদা নিজ সিদ্ধান্তে অটল থেকেছেন, এগিয়ে নিয়েছেন শত বাধা বিপত্তির মুখে। চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশিদের স’াপনা প্রতিষ্ঠা, তৃতীয় কর্ণফুলি সেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর বিদেশিদের ধারায় পরিচালনার বিপরতে তাঁর যে ভূমিকা ছিল তা পরবর্তীতে সকলের কাছে সঠিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।
১৯৪৪ সালের ১ ডিসেম্বর তিনি এ পৃথিবীর সুন্দর আলো দেখেছেন। চলতি ডিসেম্বর মাসে তিনি ৭৪ বছরে পা দিয়েছেন। শিক্ষাজীবন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক জীবন তাঁর ক্ষেত্রে খুব একটা সহজ ছিল না। প্রতিটি ক্ষেত্রে তাঁকে ধাপে ধাপে এগোতে হয়েছে। সোনার চামচ মুখে নিয়ে যেমন তাঁর জন্ম হয়নি, তেমনি ওপরের কারও আশীর্বাদে তিনি চট্টগ্রা েসর্বদলীয় রাজনীতিতে এবং গোটা চট্টলবাীর কাছে অভিভাবকের আসনে আসীন হননি। এ জন্য তাঁকে পোড়াতে হয়েছে বহু কাঠখড়। ন্যায়নীতিতে অবিচল থেকে আন্দোলন সংগ্রামে বিশেষ করে চট্টগ্রামের দাবি দাওয়া আদায়ে তিনি সদা নেতৃত্ব দিয়েছেন অগ্রভাগে। ডর ভয়ে কখনও কাবু হননি। জেল জুলুম নির্যাতন বহু সইতে হয়েছে তাঁকে। ছাত্র থেকে দলীয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হয়ে তাঁকে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে। এক এগারো সরকার আমলে অনাহুতভাবে তাঁকে গ্রেফতার করে জেলবন্দি করে রাখাকালীন সময়ে তিনি হারিয়েছেন তাঁর প্রিয় এক কন্যাকে। দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত কন্যা টুম্পার জীবন্ত মুখ তিনি দেখেননি। দেখেছেন প্রাণহীন নিথর একটি দেহ। যা তাঁকে কাঁদিয়েছে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।
জীবনের দীর্ঘ পথ চলায় নানা অভিজ্ঞতায় হৃদ্য ছিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। গ্রামীণ পরিবেশ থেকে শহুরে পরিবেশে এসে রাজনীতিতে অংশ নিয়ে তিনি দেখেছেন কদর্যরূপ। মনুষ্যহিংস্রতার ভয়ানক দৃশ্য। দেখেছেন শোষিত বঞ্চিতদের হাহাকার। ফলে দেশপ্রেমে, দ্রোহে, সংগ্রামে, প্রত্যাশায় রাজনীতির মাধ্যমে জনকল্যাণই হয়ে যায় তাঁর চেতনা ও লক্ষ্য। ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর চট্টগ্রামে তিনি তার দলবল নিয়ে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। যে কারেণ তাঁকে দেশ ছেড়ে ভারতে পাড়ি জমাতে হয়েছিল। ওই সময়ে জীবিকার তাগিদে সে দেশের কলকাতায় তিনি চা দোকানের কর্মচারি, পত্রিকা বিক্রির হকারের কাজও করেছেন। সাব কন্ট্রাক্টরের কাজ করে নিজেকেও দলের সদস্যদের রুটি রুজি নিশ্চিত করেছেন। তার জীবনের প্রথম জীবিকা অর্জন রেডিও মেকানিক কাজের মাধ্যমে।
বহু গুণের অধিকারী মহিউদ্দিন চৌধুরী। যার মধ্যে আতিথেয়তার দিকটা ছিল বিশেষভাবে লক্ষণীয়। কী অফিসে, কী বাসায় তার কাছে গিয়ে না খেয়ে আসতে পারেনি এমন অতিথি বা সাক্ষাৎপ্রার্থীর সংখ্যা নেই বললেই চলে। প্রতিদিন দিনে রাতে দলে দলে মানুষকে খাওয়ানো তাঁর চরিত্রের অন্যতম একটি বৈশিষ্ট্য ছিল। যে কারণে চট্টগ্রামের ষোল শহরের চশমা হিলের তার বাস ভবনটি একটি লঙ্গরখানা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
মহিউদ্দিন চৌধুরীর জীবনালেখ্য বর্ণাঢ্য। তাঁর রাজনৈতিক জীবন ইতিহাস গৌলবোজ্জ্বল। মানুষ যে স্বপ্নে চেয়েও বড় হতে পারে মহিউদ্দিন চৌধুরীর তার প্রমাণ রেখে গেছেন চট্টগ্রামে। তার প্রতিটি কর্মকাণ্ড ছিল অনেকটা ব্যতিক্রমধর্মী। যাকে অনেকেই মহিউদ্দিন ম্যাজিক নামেও অভিহিত করেছেন। আসলেও তাই। মেয়র পদে আসীন হয়ে তিনি বিভিন্ন ধর্মী আয়বর্ধক প্রকল্প গ্রহণ করে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে করেছিলেন স্বাবলম্বী। এছাড়া চট্টগ্রামে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তাও তিনি। যে বিশ্ববিদ্যালয়টির এখণ রয়েছে ৫টি ক্যাম্পাস। অধ্যয়ন করছে প্রায় পনের হাজার শিক্ষার্থী। নতুন প্রজন্মের মাঝে শিক্ষার আলো জ্বালাতে তিনি ছিলেন অবিচল। ধনী দরিদ্র সবশ্রেণির মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে লেখাপড়ার সুযোগ করে দেয়া ছিল তার চিন্তা ভাবনার বড় একটি দিক। অপরদিকে, মেয়র পদে থাকাকালীন কর্পোরেশনের সকল ওয়ার্ডে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, পুরনোগুলোকে সংস্কার, স্কুলকে কলেজে উন্নীত করার মাধ্যমে তিনি ছিলেন অগ্রণী। রেখেছেন অনবদ্য ভূমিকা।
একজন রাজনীতিবিদকে গ্রেফতার করার পর একটি শহর যে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরিতে পরিণত হয়েছিল তার নেপথ্যের নায়ক ছিলেন এ মহিউদ্দিন চৌধুরী। ১৯৯৫ সালে বিএনপি সরকার তাকে গ্রেফতার করার সাথে সাথে পুরো চট্টগ্রাম জ্বলেছে। তিনদিন পুরো নগরী ছিল অচলাবস’ার কবলে। যা এদেশের অতীত ইতিহাসে আর কখনও দেখা যায়নি।
নিরহংকার, নিলোর্ভ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন মহিউদ্দিন চৌধুরী। মানুষের মাঝে যে ভেদাভেদ এমন কোন বৈশিষ্ট্যও তার মাঝে ছিল না। ফলে তিনি দীর্ঘ জীবনে গণমানুষের নেতায় পরিণত হতে সক্ষম হয়েছিলেন। কারিশম্যাটিক নেতৃত্ব দিয়ে তিনি চট্টগ্রামবাসীর হৃদয়ের মণিকোঠায় অবস’ান করেন। তার রাজনীতিতে গরিবের রক্তপ্রাণ ছিল না। অঙ্গ ভক্ষণ ছিল না। তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে শিশু কিশোরের রক্তের ডাক পড়েনি। তার রাজনীতি কখনও অন্ধকার ইতিহাসের অভিশাপ বহন করেনি। তার রাজনীতি এতিম অনাথ ও বস্তির তরুণদের মানবঢাল বানায়নি। তার রাজনীতি ছিল সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য মুক্তির সওদাগরির। এছাড়া বেওয়ারিশ লাশ দাফন কাফনেও তিনি থাকতেন সর্বাগ্রে। এক্ষেত্রে বলতে হয় চট্টগ্রামে নৌবাহিনীর সাথে এলাকাবাসির অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত এবং কালুরঘাটে একটি গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অর্ধশত বেওয়ারিশ লাশের দাফন ও সৎকারে তিনি যে ভূমিকা রেখেছেন তা ইতিহাসের পাতায় স’ান করে নিয়েছে। এসব ছাড়াও মহিউদ্দিনের নানামুখী ভূমিকা চট্টগ্রামকে আলাদা একটি অবস’ানে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। এর পাশাপাশি হজ্বব্রুত পালনে মেয়ল হজ্ব কাফেলা প্রতিষ্ঠা, হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য তীর্থ যাত্রার সূচনাও ঘটেছে তার হাতে। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত তার রক্ত মাংসে ছিল চট্টগ্রামের উন্নয়ন। এ উন্নয়নে তিনি তার নিজ দলের কোন কোন সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী ভূমিকা পালন করতেও পিছ পা হননি।
জননন্দিত নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরী। রাজনীতিতে মত ও পথের ভিন্নতা আছে, থাকবে। কিন’ সকলেই স্বীকার করবেন মহিউদ্দিনের রাজনৈতিক, প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের দৃঢ়তাকে। তিনিই যেন চট্টগ্রামের আইডেন্টিটি। চট্টগ্রাম এবং তিনি অবিচ্ছেদ্য দুটি নাম। তাই মহিউদ্দিন চৌধুরীর বিদায়ে চট্টগ্রাম নগরী শোকাতুর হবে, হয়েছেও এটাই স্বাভাবিক। জীবদ্দশায় তাঁর নামে চট্টগ্রাম কোন কিছুর নামকরণ হয়নি, তিনি ইচ্ছে করলেই পারতেন। কিন’ করেননি। তবে চশমা হিলের বাস ভবনে যাবার সড়কটির নাম অঘোষিতভাবে হয়ে গেছে ‘মেয়র গলি’। চট্টগ্রামে মেয়র আরও ছিলেন, আরও আসবেন। কিন’ শুধুমাত্র ‘মেয়র’ যাঁকে বোঝায় তিনি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। এসবই এখন ইতিহাস। তার মৃত্যুতে চট্টগ্রামে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা আগামীতে পূরণ হবে কিনা তা বলে দেবে একমাত্র ভবিষ্যত।