সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের ইন্তেকাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

হাটহাজারীর বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ ওয়াহিদুল আলম আর নেই। গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস’ায় ইন্তেকাল করেন জাতীয় সংসদের সাবেক এ হুইপ (ইন্নালিল্লাহে… রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি দুই মেয়ে, স্ত্রীসহ অসংখ্যা আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।গত ১ বছর ধরে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছিলেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক ওয়াহিদুল আলম। ২০১৬ সালের ২১ মার্চ তিনি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। এরপর তিনি ব্রেইন স্ট্রোক করেন। সিঙ্গাপুরে দীর্ঘ একমাস চিকিৎসার পরও তিনি সুস’ শরীর নিয়ে দেশে ফিরতে পারেননি। গত ১ বছর ধরে তার মেয়ে বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানার ঢাকার বাসায় তিনি কোমায় (অচেতন অবস’ায়) ছিলেন। সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের চারটি নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আজ সোমবার সকাল ১১টায় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হবে তার প্রথম নামাজে জানাজা। দ্বিতীয় নামাজে জানাজা হবে দুপুর ১২টায় নয়াপল্টন বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে। তৃতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে চট্টগ্রামের জাতীয় মসজিদ জমিয়াতুল ফালাহ প্রাঙ্গণে বিকেল ৩টায়। নিজ গ্রামের বাড়ি হাটহাজারীর পার্বতী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সর্বশেষ চতুর্থ নামাজে জানাজা হওয়ার কথা রয়েছে।
হাটহাজারী উপজেলার লালিয়ারহাটস’ নিজ বাড়ির পারিবারিক কবর স’ানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে। দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে বিএনপির রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ওয়াহিদুল আলম। হাটহাজারীতে ১৯৯১ সালে প্রথম ধানের শীষে নির্বাচন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। পরে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সংসদ সদস্যসহ মোট চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদের হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বপালনসহ নগর বিএনপির আহ্বায়কও ছিলেন তিনি। সর্বশেষ বিএনপির কাউন্সিলে তাকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা করা হয়। সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের বড় মেয়ে ব্যারিস্টার সাকিলা ফারজানা উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য।