সেন্টমার্টিন উপকূলে ২৫টি মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি

নিজস্ব প্রতিনিধি, টেকনাফ

টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপের বঙ্গোপসাগরের উপকূলে জলদস্যু বাহিনীর হাতে ২৫টি মাছ ধরার ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। এ সময় জেলেদের মারধর করে ট্রলারে থাকা মাছ ও জাল লুট করে নিয়ে যায় তারা। ডাকাতি করতে আসা এফবি আবদুল গফফার ও এবফি মারম্নফ নামের দু’টি ট্রলার চিহ্নিত করেছে জেলেরা।
গতকাল সোমবার সকালে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এর আগে গত দু’দিনে আরও ২৭টি মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতি করা

হয়েছিল বলে জেলেরা জানিয়েছেন।
ডাকাতির শিকার ট্রলারের মালিকেরা হলেন- মো. কাশেম, এমদাদ উলস্নাহ মাঝি, জাহেদ উলস্নাহ, নুরম্নল ইসলাম, বাদশা মিয়া, মো. বাবুল, মো. হাসান, মো. জাফর, মো. সিরাজ, মো. মিজান। তারা টেকনাফের সাবরাং, শাহপরীর দ্বীপ ও সদরের বাসিন্দা।
সোমবার দুপুরে শাহপরীর দ্বীপ মৎস্যজীবী অগ্রণী বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসান জানান, সেন্টমার্টিন দ্বীপের উপকূলে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ২৫টির ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের জেলেরা জাল ফেলে অপেড়্গা করছিল। সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ২০-২৫ জনের একটি দল অস্ত্র নিয়ে জেলেদের ট্রলারে হামলা করে। এ সময় জেলেদের মারধর করে জাল ও মাছ লুট করে নিয়ে যায়। বিষয়টি স’ানীয় কোস্টগার্ডকে অবহিত করা হয়েছে।
এফবি এমদাদ উলস্নাহ বোটের মাঝি শামসুল আলম বলেন, গত শুক্রবার ১০ মাঝিমালস্না নিয়ে প্রতিদিনের মতো বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাই। সর্বশেষ সোমবার সকালে মাছ ধরতে সাগরে জাল ফেলি। এরপর হঠাৎ করে দুটি বড় ট্রলার এসে অস্ত্র উঁচিয়ে ঘিরে ফেলে। পরে ট্রলারে উঠে মারধর করে মাছ ও জাল লুট করে নিয়ে যায়। তার মতো অনেক মাছ ধরার ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে।
সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ফজলুল হক বলেন, বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া ২৫টির মতো ট্রলার ডাকাতির শিকার হয়েছে। এর আগে আরো অনেক ট্রলার ডাকাত দলের খপ্পরে পড়েছিল। বিষয়টি স’ানীয় প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ টেকনাফ ক্যাম্পের ইনচার্জ লে. মির্জা শাহেদ মাহতাব জানান, বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার ট্রলারে ডাকাতির খবর শুনেছি। বিষয়টি গুরম্নত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।