সুলভে ভোগ্যপণ্য বিক্রি করছে তিন প্রতিষ্ঠান

নিজস্ব প্রতিবেদক

রমজানে নিম্ন-আয়ের মানুষের কাছে সুলভমূল্যে ভোগ্যপণ্য তুলে দিচ্ছে তিন প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি), চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিএমসিসিআই) ও চিটাগং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)। নগরীর বিভিন্ন জায়গায় পুরো রমজান মাসব্যাপী প্রতিষ্ঠানগুলো ভর্তুকিমূল্যে এ বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ন্যায্যমূল্যে বিক্রি কার্যক্রম গত ৬ মে শুরম্ন করে। নগরীর ভিন্ন ভিন্ন দশটি জায়গায় ট্রাকে করে পণ্য বিক্রি করার কথা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। তবে বৃষ্টিতে পণ্য নষ্ট হওয়ার আশংকায় প্রতিষ্ঠানটি নগরীতে তিনটি ট্রাক বের করছে। তাদের ট্রাকগুলো থেকে ভোক্তারা প্রতি কেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৫৫ টাকা, ছোলা ৭০ টাকা, খেজুর ১২০ ও সয়াবিন তেল ৮৫ টাকায় রমজান পর্যনত্ম ক্রয় করতে পারবেন। এ ট্রাকগুলো থেকে একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৪ কেজি করে চিনি ও ডাল, ৫ লিটার সয়াবিন তেল, ৫ কেজি ছোলা ও ১ কেজি খেজুর ক্রয় করতে পারবেন। শুক্র ও শনিবার বাদে সপ্তাহের বাকি পাঁচদিন পণ্য বিক্রি করবে প্রতিষ্ঠানটি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিএমসিসিআই) গত ১৪ মে তাদের নিজস্ব কার্যালয়ের সামনে ভর্তুকি মূল্যে ভোগ্যপণ্য বিক্রি শুরম্ন করে। মেট্রোপলিটন চেম্বার আগ্রাবাদ ছাড়াও নাসিরাবাদ এলাকায় এমন কার্যক্রম শুরম্ন করার কথা রয়েছে। তাদের বিক্রয় কেন্দ্রে কেজি প্রতি চাল ২৫ টাকা, চিনি কেজি ৪৫ টাকা এবং ভোজ্য তেল ১ লিটারের বোতল ৮৫ টাকা এবং ২ লিটারের বোতল ১৭০ টাকায় বিক্রি করা হবে। এ বিক্রয় কেন্দ্র থেকে একজন ব্যক্তি ২ কেজি চিনি, ৫ কেজি চাল এবং এক লিটার বা দুই লিটারের একটি সয়াবিন তেলের বোতল কিনতে পারবেন।
চিটাগং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই) গতকাল চেম্বার হাউজের সামনে তাদের বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করে। তারা ২৬ রমজান পর্যনত্ম সকাল ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যনত্ম এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানা গেছে। প্রতিষ্ঠানটি কেজি প্রতি আতপ চাল ২৫ টাকায়, সিদ্ধ ২৫ টাকায় ও চিনি ৪০ টাকায় বিক্রি করবে।
মেট্রোপলিটন চেম্বার সভাপতি ও চিটাগং চেম্বার সভাপতি পৃথক বক্তব্যে সামর্থবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এমন উদ্যোগ নিতে আহ্বান জানান। চিটাগং চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা রমজান মাসে বেশি মুনাফা না করলে খুব ড়্গতি হয় না। নিম্নআয়ের সাধারণ মানুষের কথা বিবেচনা করে কম লাভে পণ্য বিক্রয় করাটা সামাজিক দায়বদ্ধতা মনে করি।’