সাত ঘণ্টা পর মুক্তি মিললো চবি ছাত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙামাটি

‘আঞ্চলিক দলের সশস্ত্র তরম্নণদের হাতে অপহৃত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী রিমি চাকমার মুক্তি মিললো অপহরণের ৭ ঘণ্টা পর। বৃহস্পতিবার দুপুর তিনটায় দীঘিনালা-সাজেক সড়ক থেকে অপহরণের পর রাত ১০টার দিকে ‘সামাজিক চাপ’ এবং ‘সেনাবাহিনীর অপারেশন’ এর মুখে রিমির দাদা স্নেহকুমার চাকমার কাছে রিমিকে বুঝিয়ে দেয় অপহরণকারীরা।
স্নেহকুমার চাকমা নাতনির মুক্তি পাওয়ার
বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অপহরণের পর থেকেই অপহরণকারীরা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করছিল। সর্বশেষ অপহৃতের স্বজনদের রিমিকে আনতে যাওয়ার জন্য প্রসত্মাব দেয়। কথা অনুযায়ী তিনি যাওয়ার পর অপহরণ ঘটনাস’ল থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দড়্গিণে জোড়াব্রিজ এলাকায় রিমিকে এনে বুঝিয়ে দিয়ে চলে যায় অপহরণকারীরা। তবে মুক্তির বিনিময়ে অপহরণকারীদের সাথে কোন লেনদেন হয়নি বলেও দাবি করেছেন স্নেহকুমার।
অপরদিকে আইনশৃংখলা রড়্গাকারী বাহিনীর একটি সূত্র দাবি করেছে, দীঘিনালা-বাঘাইহাট সড়কের শুকনাছড়িমুখ এলাকা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে অপহরণ করা হয় রিমিকে। এ খবর জানার পর থেকেই পুরো এলাকায় তলস্নাশি অভিযানে নামে সেনাবাহিনী। এ কারণে অনেকটা চাপের মধ্যে অপহরণকারীরা রিমিকে দ্রম্নত মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে।
প্রসঙ্গত, রিমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। তিনিসহ একই বিভাগের ১৩ জন সহপাঠী বৃহস্পতিবার সাজেক যাচ্ছিলেন, যাদের মধ্যে ৯ জনই মেয়ে এবং ৪ জন ছেলে। পথিমধ্যে অস্ত্রধারী কয়েকজন যুবক তাদের বহনকারী গাড়িটি থামিয়ে রিমিকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। এরপর বাকি বন্ধুরাও সাজেক না গিয়ে ফিরে যায় খাগড়াছড়ি।