গণসাক্ষরতা অভিযান-ঘাসফুলের ওয়ার্কশপ

সাক্ষরতার হার শূন্যের কোটায় আনতে হবে

DSC_0044

‘শিক্ষা ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করতে বাংলাদেশের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার সাব-সেক্টরের জন্য একটি সমন্বিত ও প্রোগ্রাম প্রস্তাব প্রণয়ন প্রয়োজন। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দেশের সাক্ষরতার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে হবে।’
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ঘাসফুলের আয়োজনে গণসাক্ষরতা অভিযান, ইউনেস্কো ঢাকা অফিস এবং ইঘঋঊ এর সহযোগিতায় কাজির দেউরি ব্র্যাক লার্নিং সেন্টারে বিভাগীয় পরামর্শমূলক কর্মশালা ১৮ জুন সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তারা উপরের অভিমত প্রকাশ করেন।
ঘাসফুলের উপ-পরিচালক মফিজুর রহমানের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন-এনামুল হক খান তাপস।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো ঢাকার উপ-পরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন উপানুষ্ঠানিক কার্যক্রমের প্রেক্ষাপট বিষয়ক বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে তথ্য নির্ভর ডকুমেন্টরি উপস্থাপনা প্রদান করেন উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার পরামর্শক, জিয়া-উস-সবুর।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যুগ্ম সচিব ড. মো. আলফাজ হোসেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. জয়নাব বেগম। বিশেষ অতিথি ছিলেন মো. শহিদুল ইসলাম, মুর্শিদা বেগম, মো. হাবিবুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে বিশেষ করে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমে কারিগরি শিক্ষা সংযুক্ত করতে এই বিভাগীয় পর্যায়ের কনসালটেশন ওয়ার্কসপ। উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম আরও জীবনমুখী হবে এবং এ ওয়ার্কশপের মধ্যে দিয়ে এমন ধারণা বের হয়ে এসেছে যে কার্যক্রম এর শিক্ষা সমাপনে প্রত্যেকেই সক্ষম ও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে। ফলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আরো সহায়ক হবে।
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ও দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদানকারী পদ্ধতিসমূহের শক্তিশালি, দূর্বলতা, ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জ সমূহের প্রাথমিক তথ্যসমূহের উঠে আসে। এসকল তথ্যসমুহের মাধ্যমে বাংলাদেশের উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার জন্য একটি সমন্বিত ও কার্যকর কর্মসূচি প্রস্তাব প্রণয়ণ করা সম্ভব হবে। বিজ্ঞপ্তি