উখিয়া শিক্ষা অফিস সহকারীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিনিধি, উখিয়া

উখিয়া উপজেলার শিক্ষা অফিসে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে অফিস সহকারী পদে কর্মরত বশির আহমদের বিরুদ্ধে ১৪ জন শিক্ষকের লিখিত অভিযোগ তদন্ত করলেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (সার্বিক) মোহাম্মদ শহিদুল আজম।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত শিক্ষা অফিস কক্ষে ভুক্তভোগী শিক্ষক-শিক্ষিকাদের লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়।
এসময় মাদারবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (অবসরপ্রাপ্ত) মাওলানা কবির আহমদ অভিযোগ করেন, তার পেনশনের ফাইল আটকে রেখে বশির আহমদ ২০ হাজার টাকা আদায় করেছেন।
একই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চেমন বাহারকে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি দেওয়ার কথা বলে ২০ হাজার টাকা আদায় করেছেন তিনি। চেমন বাহার জানান, শিক্ষকদের চাপের মুখে তাকে ১০ হাজার টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
এভাবে ১৪ জন অভিযোগকারী শিক্ষকের স’লে প্রায় ১৮ জন শিক্ষকের লিখিত ও মৌখিক সাক্ষ্য গ্রহণ করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার ধর জানান, ‘তদন্তকাজ সম্পন্ন হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়-দায়িত্ব তদন্তকারী কর্মকর্তার।’
অভিযুক্ত অফিস সহকারী বশির আহমদের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, তার কাছ থেকেও একটি লিখিত জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল আজম বলেন, ‘এটা সাংবাদিকদের জানার বিষয় নয়।’
উল্লেখ্য, উখিয়া শিক্ষা অফিসে কর্মরত অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক বশির আহমদের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে ১৪ জন শিক্ষকের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে তদন্তে আসেন সহকারী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল আজম।