সরবরাহ কমায় বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরবরাহ কমায় দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির। গত সপ্তাহের চেয়ে কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এ মুরগি। বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকায়। আগে ছিল ১৫০ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া যায়।
বাজারে গিয়ে দেখা যায়, কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে মুরগি। চকবাজারে এক মুরগি বিক্রেতা জানান, গরু ও খাসির মাংসের দাম বেশি হওয়ায় মুরগির চাহিদা বেড়েছে। কিন’ সে তুলনায় সরবরাহ কম। পাকিস্তানি (সোনালী) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৩২০ থেকে সাড়ে ৩শ’ টাকায়।
মাছের বাজারে প্রতিকেজি রুই আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে সাড়ে ৩শ’, কাতলা আকার ভেদে ২৫০ থেকে ৪শ’, তেলাপিয়া ১৪০ থেকে ২শ’, পাঙ্গাস ১৪০ থেকে ১৮০, শিং মাছ ৬ থেকে সাড়ে ৬শ’, দেশি মাগুর ৭শ’ থেকে সাড়ে ৭শ’, শোল ৪শ’ থেকে সাড়ে ৪শ’, কৈ ১৮০ থেকে ২শ’ ও সিলভার কার্প ১৫০ থেকে ২শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সামুদ্রিক ইলিশ আকার ভেদে সাড়ে ৫শ’ থেকে ৮শ’, বড় ইলিশ ১২শ’ থেকে ১৬শ’, রূপচাঁদা আকার ভেদে ৬শ’ থেকে ৮শ’, চিংড়ি সাড়ে ৩শ’ থেকে ৬শ’, কোরাল ৬শ’ থেকে ৭শ’, লইট্যা ১২০ থেকে দেড়শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে প্রতিকেজি গরুর মাংস সাড়ে ৫শ’ থেকে ৫৮০, খাসির মাংস ৭শ’ থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকায়।
প্রতিকেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৪, আমদানিকৃত রসুন ১৬০ থেকে ১৯০, আদা ৮০, মসুর ডাল মানভেদে ১১০ থেকে ১৩০, সয়াবিন বোতলজাত প্রতিলিটার ১০৫, পলিব্যাগ ৯৫, চিনি ৬৮, প্যাকেটজাত আটা ৩০ থেকে ৩২, লবণ প্যাকেটজাত প্রতিকেজি ২৫ থেকে ৩৮, চাল মানভেদে ৪০ থেকে ৫৮, চিনিগুঁড়া ৯৫ থেকে ১শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
সবজির বাজারে প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০, ঢেঁড়শ ৪০ থেকে ৪৫, সিম ৫০, টমেটো ২৫ থেকে ৩০, রবরটি ৫০ থেকে ৬০, কচুলতি ৫০, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০, আলু ১৮ থেকে ২০, পটল ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।