সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী

সরকারিকরণের আওতায় আসবে ঐতিহ্যবাহী স্কুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরীতে নতুন সরকারি স্কুল স’াপনের পরিবর্তে প্রতিষ্ঠিত সরকারি স্কুলগড়-লোর উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণে উদ্যোগী হচ্ছে সরকার। নতুন সরকারিকরণে যে অর্থ খরচ হবে এর চেয়ে ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলোকে সরকারিকরণ বা এমপিওভুক্তির মাধ্যমে শিড়্গাপ্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধান তুলনামূলকভাবে সহজ হবে। মন্ত্রী গতকাল সকালে তার বাসায় সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় কালে এ কথা বলেন।
শিড়্গা বলেন, নগরীতে সরকারি শিড়্গাপ্রতিষ্ঠানের ঘাটতি রয়েছে। কিন’ নতুন করে শিড়্গাপ্রতিষ্ঠান স’াপনে পর্যাপ্ত ভূমি পাওয়া যাচ্ছে না। জেলা প্রশাসনের রিপোর্টে তা উঠে এসেছে। ভূমি অধিগ্রহণ, ভবন নির্মাণ, শিড়্গক-শিড়্গিকা ও কর্মচারী নিয়োগ দেয়া সময়সাপেড়্গ ও কষ্টসাধ্য। তাই বিদ্যমান সরকারি শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলো ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ সমস্যা দূর করা যায় কিনা তা ভাবা হচ্ছে। তিনি বলেন, এতে যেমন প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম ব্যবহার করা যাবে, তেমনি একটি নির্ধারিত স’ানে অনেক শিড়্গার্থীকে গুণগত মানসম্পন্ন শিড়্গার সুযোগ দেয়া যাবে। নগরীর পতেঙ্গা, হালিশহর কিংবা অক্সিজেন এলাকায় সরকারি স্কুল না থাকা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এড়্গেত্রে ওইসব এলাকার স্বনামধন্য শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারিকরণের আওতায় এনে কিংবা এমপিও সুবিধা বাড়িয়ে তা করা যায় কিনা তা নিয়ে ভাবা প্রয়োজন।
তিনি আরো বলেন, এছাড়া সরকারি শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলো একই এলাকায় হওয়ায় নগরীতে যানজটও দেখা দিচ্ছে। এতে বাড়ছে নাগরিক দুর্ভোগ।
শিড়্গাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় জনপ্রতিনিধিদের অনত্মর্ভুক্তি প্রসঙ্গে নওফেল বলেন, জনপ্রতিনিধিদের কাছে ভর্তি ও নিয়োগ সংক্রানত্ম নানা বিষয়ে মানুষের তদবির আসবে। জনপ্রতিনিধিদের পড়্গে তা অগ্রাহ্য করা কঠিন।
দেশে গত ১০ বছরে শিড়্গাড়্গেত্রে বৈপস্নবিক পরিবর্তন এসেছে উলেস্নখ করে উপমন্ত্রী বলেন, আগে পশ্চিমা দেশগুলো আমাদের অনার্সের ফলাফলকে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বলে গণ্য করতো। কিন’ এখন আর তা হচ্ছে না। আমাদের সার্টিফিকেটের মূল্যায়ন করছে তারা। একইভাবে গ্রেডিং পদ্ধতি চালুর কারণেও আনত্মর্জাতিকভাবে আমাদের শিড়্গার মান বেড়েছে। উন্নতদেশগুলো আমাদের শিড়্গাকে মূল্যায়ন করছে। এটা অনেক প্রাপ্তি।
দেশের বর্তমান জিডিপি বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকাও শিড়্গার কারণে হচ্ছে উলেস্নখ করে ব্যারিস্টার নওফেল বলেন, শিড়্গাড়্গেত্রে অগ্রগতির ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হচ্ছে। সরকারের দু’মেয়াদে বিশেষায়িত শিড়্গা ও উচ্চশিড়্গায় যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। এখন কর্মসংস’ানের জন্য মানবসম্পদ তৈরিতে গুরম্নত্ব দেয়া হবে।
কারিগরি শিড়্গা প্রসঙ্গে ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, আমরা এ শিড়্গাকে গুরম্নত্ব দেবো। এখন যেমন শিড়্গা প্রতিষ্ঠানগুলোতে আইসিটি ল্যাব রয়েছে, তেমনিভাবে ভোকেশনাল ল্যাবের ওপরও গুরম্নত্ব দেয়া হবে। এতে শিড়্গার্থীরা স্কুল পর্যায় থেকে কারিগরি শিড়্গার সাথে পরিচিত হতে পারবে।
প্রাথমিক সমাপনী পরীড়্গা (পিইসি) এর প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে মন্ত্র বলেন, এটি প্রাথমিক ও গণশিড়্গা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত। ইতিমধ্যে পরীড়্গাটি পাবলিক পরীড়্গায় রূপ নিয়েছে।
মতবিনিময় সভায় নওফেলের সঙ্গে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার ও সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমউদ্দিন শ্যামল, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন,স্বাচিপ নেতা ডা. শেখ শফিউল আজমসহ নেতাকর্মীরা উপসি’তি ছিলেন।