চন্দনাইশে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে অলি আহমদ

সন্তানের ভবিষ্যত নির্মাণে মায়ের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দনাইশ

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)র চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৮০ পর্যন্ত তিনি তার সমস্ত ক্ষমতা শিক্ষার্থীদের কাজে লাগিয়েছেন। প্রত্যেক ইউনিয়নে একাধিক স্কুল, মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট নির্মাণ করেছেন। চন্দনাইশে বিদ্যুৎ ছিলনা ১৯৭৪ সালে বিদ্যুৎ নিয়ে এসে পর্যায়ক্রমে পল্লী বিদ্যুতের মাধ্যমে প্রত্যেক ঘরে বিদ্যুতের ব্যবস’া করেছেন। এমন কোন গ্রাম নেই রাস্তা যায়নি। তিনি বলেন, যত ক্ষমতা, মেধা ছিল জনগণের কাজে লাগিয়েছেন। বর্তমানে চন্দনাইশের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ ও টেকনিকেল কলেজে লেখাপড়া করছে।

তিনি গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে গাছবাড়িয়া মমতাজ বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও নুরুল ইসলাম কিন্ডারগার্টেনের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সামশুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক সুমন শর্মা ও সাজেদা সুলতানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে তিনি ‘মা’দের উদ্দেশ্যে বলেন ছেলে- মেয়েদের মানুষ করার পেছনে মায়েদের ভূমিকা ৯০%। সন্তানের ভবিষ্যত নির্মাণে মায়েদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।শিক্ষা যেমন জাতির মেরুদন্ড, মায়েরা সমাজের মেরুদন্ড। স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে খবর নিতে হবে ছেলে-মেয়েরা ঠিকমতো স্কুল-কলেজ মাদ্রাসায় যাচ্ছে কিনা, লেখাপড়া করছে কিনা। কঠোর পরিশ্রম করে ছেলে-মেয়েদের মানুষ করতে হবে। তাহলে পরবর্তী প্রজন্ম মানুষ হবে।

শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনাদেরও ভালভাবে লেখাপড়া করতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে তা বুঝিয়ে দিতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম, সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মো. আইয়ুব কুতুবী, আমানত ছফা বদরুন্নেছা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আবুল খায়ের, পটিয়া সালেহ-নুর কলেজের অধ্যাপক সিরাজুল করিম, রাঙামাটি জেলা এলডিপি’র সভাপতি দিপাকর দেওয়ান, আমজাদ হোসেন, বিজয় কৃষ্ণ ধর, আকতার আলম, আবিদুর রহমান বাবুল, আইনুল কবির, আইনুল হুদা, কামরুল আহছান প্রমুখ।