সনদ বিতরণকালে মেয়র প্রশিক্ষিত নারীরা অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন

বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, প্রশিক্ষিত নারীরা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখছেন।
বিকেএমইএ’র সার্বিক সহযোগিতায় “শ্রমিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র” ১ম ব্যাচের প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ ও সম্মানী ভাতা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরের কথা বলেন। জামাল খান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন ও বিকেএমইএ’র পরিচালক রাজীব দাশ সুজয়ের ব্যবস’াপনায় পরিচালিত এই প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এ ব্যাচে ৩০ জন নারী প্রশিক্ষণার্থী ছিলেন।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, বিকেএমইএ পরিচালক রাজীব দাশ সুজয়, বিকেএমইএ’র সাবেক পরিচালক শওকত ওসমান। সিটি মেয়র বলেন, দক্ষ জনশক্তির সুদূরপ্রসারী ফলাফল পড়েছে দেশের অর্থনীতির উপর। পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও সমানতালে এগিয়ে চলেছে। তাই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে প্রশিক্ষিত নারীর বিকল্প নেই। আজকের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা গার্মেন্টস কারখানাসমূহে চাকরি নিয়ে কিংবা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জ্ঞান দিয়ে উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবে।
২১ নম্বর জামাল খান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন বলেন, পোশাক শিল্পের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনশক্তি। এরই আলোকে বিকেএমইএ’র সার্বিক সহযোগিতায় স্টিচ টোন এ্যাপারেলস লিমিটেডের ধারাবাহিকভাবে শ্রমিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে দক্ষ নারী শ্রমিক তৈরিতে কাজ করবে। বিকেএমইএ পরিচালক রাজীব দাশ সুজয় বলেন, রপ্তানি আয়ের বেশির ভাগই অর্জিত হয় পোশাক খাত থেকে। আন্তর্জাতিক বাজারে দ্বিতীয় অবস’ান থেকে শীর্ষ স’ান দখল করতে দক্ষ শ্রমিকের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ ও সকলের ঐক্যবদ্ধ সহাবস’ান এই খাতকে শীর্ষ স’ানে নিয়ে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিকেএমইএ’র সাবেক পরিচালক শওকত ওসমান বলেন, দক্ষ জনশক্তি দেশের সম্পদ। শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উপর গুরুত্বারোপ করা এখন সময়ের দাবি।
বিকেএমইএ’র সিনিয়র যুগ্ম সচিব আলতাফ উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন কাউন্সিলর ও কর্মকর্তাবৃন্দ, বিকেএমইএ ইউনিট এডমিনিস্ট্রেটর নিয়াজ মো. নঈমুল হকসহ প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বিনামূল্যে পরিচালিত এই শ্রমিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রতি মাসে ৩০ জন শ্রমিককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।