শীতে তাঁতের শাড়ির সঙ্গে রূপার গহনা

দেউড়ি ডেস্ক
Untitled-1

শীতকালের যে কোনো অনুষ্ঠানে মোটা বুননের সিল্ক শাড়ি বেছে নিন। এতে কেবল আপনাকে সুন্দর-ই লাগবে না বরং এর উষ্ণতা শীতের জড়তা কাটাতেও সাহায্য করবে। ভারতের ‘আম্রপালি জুয়েলস’য়ের সৃজনশীল পরিচালক তারাং অরোরা এবং ‘পারিসেরা’য়ের পরিচালক ভিনুথা সুব্রামানিয়ান ভিন্নধর্মী শাড়ি ও তার সঙ্গে মানানসই অলঙ্কার সম্পর্কে জানান।
পঞ্চকলি শাড়ি: পচাম্পলি শাড়ির মহনীয়তাকে কেউই টেক্কা দিতে পারেনা। এর জ্যামিতিক নকশা ও রংয়ের সমন্বয় গভীরভাবে জড়িত, যা বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য মানানসই। এর উজ্জ্বলতা ও ঘনত্ব দুটোই আপনাকে উষ্ণতায় ভরিয়ে রাখবে সারাদিন ভর। এ ধরনের শাড়ির সঙ্গে রূপালি রংয়ের বড় কানের দুল পরুন, এতে আপনাকে দেখতে অনেক প্রাণবন্ত লাগবে।
তসর: তসর শাড়িতে প্রকৃতির মলিন সোনালি রংয়ের আবেদন ফুটে ওঠে। এর উন্নত ঢেউ খেলানো ছাপ এমনকি মসৃণ তসরও চোখে একটা উৎসবের আমেজ তৈরি সৃষ্টি করে। আর ঘন বুনন দেয় উষ্ণতার ছোঁয়া। এই শাড়িতে শীতকালে আলাদা শাল ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। সঙ্গে পরুন রূপালি গহনা।
পাটোলা: যদি আপনি পাটোলা শাড়ি পরেন তাহলে এর সঙ্গে আর কিছু প্রয়োজন নেই। এই ধরনের শাড়ির হাতের কাজই এর মূল্য নির্ধারণ করে দেয়। এই ধরণের শাড়িতে অসাধারণ হাতের কাজ করা থাকে যা খুবই দুর্লভ। বিশেষ ‘ভাব’ ফুটিয়ে তুলতে এই শাড়ির সঙ্গে রূপার গলার অলঙ্কার পরুন।
ইক্কত: বিয়ের অনুষ্ঠানে আভিজাত্য ও আনন্দেরভাব ফুটিয়ে তুলতে ‘ইক্কত’ শাড়ি বেছে নেওয়াই সর্বোত্তম পছন্দ হওয়া উচিত। এর খাঁজকাটা হালকা পাড় ও নানান রং আপনার মাঝে একটা ভিন্নধর্মী স্বতন্ত্রভাব ফুটিয়ে তুলবে। এর বুননের ঘনত্ব বাতাস চলাচলে বাধা দিবে। ফলে শীত নয়, অনুষ্ঠানের আমেজ ও উষ্ণতা আপনি পুরোপুরিভাবেই উপভোগ করতে পারবেন। রূপার পুরু মাংটিকা বা টিকলি আর কানের দুল আপনার চেহারায় উজ্জ্বলতা ফুটিয়ে তুলবে।
বালুচুরি: প্রকৃতির রূপরেখা এবং প্রকৃতির কথোপকথন ফুটে উঠে বালুচুরি শাড়িতে, বুননে থাকে যেন অতীতের ছবি। নিখুঁত বয়ন ও সুন্দর মোটিফের জন্য যে কোনো অনুষ্ঠানে এই শাড়ি পরতে পারেন। সাজের পুর্ণতা পেতে বড় ও ভারি রুপার ঝুমকা অথবা রিং-জাতীয় দুল পরতে পারেন ।
পাইথানি: দুই হাজার বছরের পুরানো ঐতিহ্য ফুটে ওঠে এই শাড়িতে। শতাব্দী জুড়ে এই মহাদেশের রাজকীয়ভাব ও কাজের পারদর্শীকতাকে আঁকড়ে ধরে তৈরি করা হয়। এই ধরণের শাড়ির সঙ্গে বড় ও বিচিত্র কানের দুল অথবা মোটা রুপার চুড়ি বেশি মানানসই।