শীঘ্রই শুরু হবে স্লুইচ গেট নির্মাণের কাজ

বিজ্ঞপ্তি

মহেষখালের মুখে স্লুইচ গেট নির্মাণের স্থান নির্ধারণের পর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক স্লুইচ গেটের ডিটেইল ডিজাইনের কাজ সম্পন্ন করে শীঘ্রই শুরু হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত মহেষখালের মুখে স্লইচ গেট নির্মাণের কাজ।

মহেষখালের মুখে স্লুইচ গেট নির্মাণ কাজ শুরুর প্রস’তিকালে গত বুধবার সকালে মহানগরীর জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পে তত্ত্বাবধানকারী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নিয়োগপ্রাপ্ত প্রকল্প পরিচালক লেফট্যানেন্ট কর্নেল রেজাউল, সিডিএর ইঞ্জিনিয়ারিং টিম, প্রকল্পের পরামর্শক (কনসালটেন্ট) টিম, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স’ানীয় আওয়ামী লীগ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ স’ানটি পরিদর্শন করেন। নির্মাণ কাজের স’ানে বিভিন্ন দিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে সমবেতদের উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম বলেন, মহেষখাল ১১, ২৪, ২৫, ২৬, ২৭, ৩৬, ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় বসবাসাকারী জনসাধারণ ও নগরবাসীর দুঃখের একমাত্র কারণ ছিল। বৃষ্টি ও জোয়ারের পানিতে ওয়ার্ডগুলো দিনে দুইবার পানিতে তলিয়ে যায়। এতে করে নগরীরবাসীর দুর্ভোগের শেষ ছিল না। সেই দুর্ভোগ থেকে রক্ষা করতে শ্রীঘ্রই মহেষখালের মুখে স্লুইচ গেট নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় পাঁচ হাজার ছয়শ’ কোটি টাকা ব্যয়ে চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। ইতোমধ্যে নগরীর প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে।

নগরবাসীকে ধৈর্য্য ধরার অনুরোধ জানিয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান আরো বলেন, ধৈর্য্য ধরতে হবে, সহযোগিতা করতে হবে। সহযোগিতা ছাড়া কোন কাজের সুফল পাওয়া যায় না। যদি এ বছর জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন হবে বলে কেউ ভাবেন, তবে তা ঠিক হবে না। কাজ শেষ করতে সময় লাগবে। আমরা কাজ শুরু করেছি, পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শেষ করবো। পরিকল্পনার একটু নড়চড় হলে কিন’ সব ধ্বংস হয়ে যাবে।

পরিদর্শনকালে স’ানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন মো. হারুন, নাছির উদ্দিন শাহ, মো. হাসান, হাসান মুরাদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিব্যর্গ।