শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন অভিভাবকেরা অনেক ড়্গেত্রে শিশুর ইচ্ছার বিরম্নদ্ধে তার লেখাপড়া, মানসিক ও শারীরিক বিকাশে চাপ সৃষ্টি করছি। এতে করে শিশুর স্বাভাবিক বেড়ে ওঠা বিঘ্নিত হচ্ছে। একজন মা-ই যদি একটি শিশুর প্রধান আশ্রয়স’ল, তবে মাকেই এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। মায়েদের মধ্যে এ ব্যাপারে কাউন্সেলিং করার উদ্যোগ নিতে হবে। গতকাল বেসরকারি সংস’া কারিতাস চট্টগ্রাম অঞ্চল কার্যালয়ে ‘শিশুর প্রাক শৈশবকালীন যত্ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কারিতাসের আঞ্চলিক পরিচালক মি. জেমস গোমেজ। সিটি মেয়র আরো বলেন, রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে শিশুদের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সুরড়্গার জন্য পর্যাপ্ত ডে-কেয়ার সেন্টারে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরে ডে কেয়ার সেন্টার চালুর ব্যাপারে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। স’াপনকৃত এসব ডে কেয়ার সেন্টারগুলোতে কর্মজীবী মূলত অসচ্ছল পরিবারের সনত্মানদেরকে লালন পালন করা হবে। দ্রম্নত সময়ের মধ্যে এই উদ্যোগ বাসত্মবায়নে কার্যকর পদড়্গেপ গ্রহণ করা হবে। এছাড়া নগরে ডে-কেয়ার সেন্টার চালুর ব্যাপারে কারিতাস এবং অন্যান্য যেসকল সংস’া রয়েছে তাদেরকে সার্বিক সহায়তাও প্রদান করবে। আমাদেরকে সবাইকে তাই দায়বদ্ধতার পাশাপাশি দায়িত্বের সাথে শিশু সুরড়্গায় কাজ করতে হবে।
কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন প্রাথমিক শিড়্গা অধিদপ্তর চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সুলতান মিয়া, জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মো. শহিদুল ইসলাম, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অঞ্জনা ভট্টাচার্য, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নারগীস সুলতানা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফারজানা পারভীন, কাউন্সিলর আফরোজা কালাম, বিজেএমই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সেক্রেটারি করিম উলস্নাহ চৌধুরী প্রমুখ। উপসি’ত অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে শিশু সুরড়্গা বিশেষ করে দরিদ্র পরিবারের শিশুদের সুরড়্গায় ইসিডি বিষয়ে কাজ করছে এমন এনজিও বা সংগঠনের সমন্বয় এবং সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারিত্বের উপর গুরম্নত্বরোপ করেন।