শিশুদের কল্যাণে কাজ করছে সরকার

বিজ্ঞপ্তি
2-jpg

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স’ানীয় সরকার) মো. নায়েব আলী বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট দেশবিরোধী চক্রান্তকারীরা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্ব-পরিবারে হত্যা করেছে।
বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শিশু শেখ রাসেল পর্যন্ত এ হত্যাকাণ্ড থেকে রেহাই পায়নি। আজ জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
শিশুদের নিরাপত্তার দায়িত্ব সমাজের, রাষ্ট্রের ও সকলের। শিশুদের অধিকার সমুন্নত রাখতে শিক্ষক ও অভিভাবকসহ প্রত্যেককে আন্তরিক হতে হবে। পড়ালেখার পাশাপাশি শিশুদেরকে বিনোদন ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত রেখে তাদেরকে স্বাভাবিকভাবে বেড়ে উঠার সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। শিশুরা যাতে কোন ধরনের নির্যাতনের শিকার না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
১১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রাম শিশু একাডেমিতে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মুখ্য আলোচকের বক্তব্যে কবি ও প্রাবন্ধিক আবুল মোমেন বলেন, শিক্ষা ও সংস্কৃতি একে অপরের পরিপূরক। শিক্ষার পাশাপাশি সঙ্গীত, চারুকলা, খেলাধূলা ও বিনোদনসহ সবকিছু জীবনের সঙ্গে থাকতে হবে। শিশু যেন নিরাপত্তার আশঙ্কার ভিতর না থাকে সে লক্ষ্যে অভিভাবকসহ প্রত্যেককে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
প্রিয়ন্তিকা বড়-য়ার সভাপতিত্বে ও স্বাগত বড়-য়া নদীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স’ানীয় সরকার) মোহা. নায়েব আলী। মুখ্য আলোচিক ছিলেন কবি ও প্রাবন্ধিক আবুল মোমেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিশু একাডেমির জেলা সংগঠক নারগীস সুলতানা। আলোচক ছিলেন জেলা ক্রীড়া বিষয়ক কর্মকর্তা মনোরঞ্জন দে ও ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র শিশু শ্রম হ্রাসকরণ প্রকল্প ব্যবস’াপক রবার্ট কমল সরকার।
অনুষ্ঠানের পূর্বে শিশু একাডেমি মাঠে বেলুন উড়িয়ে বিশ্ব শিশু দিবস ও শিশু অধিকার সপ্তাহের উদ্বোধন করা হয়। শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।