শিল্পকলায় স্মরণসন্ধ্যা বক্তারা গবেষণায় অত্যুজ্জ্বল চৌধুরী জহুরম্নল হক

নিজস্ব প্রতিবেদক

‘বাংলাদেশের সাহিত্যে বহুমাত্রিক সৃজনশীলতায়, একাধিক সাহিত্যাঙ্গিকের উদ্ভাবনা ও প্রবর্তনায় এবং নানাবিধ গবেষণা ও সম্পাদনায় অত্যুজ্জ্বল এক নাম চৌধুরী জহুরম্নল হক। চৌধুরী জহুরম্নল হকের সৃজনী প্রতিভার একটি উলেস্নখযোগ্য বৈশিষ্ট্য নিরীড়্গা প্রবণতা। তাঁর সৃষ্টিতে যেমন আছে নির্মল আনন্দ দানের প্রয়াস তেমনি ব্যঙ্গের ভিতরেই নিহিত আছে সংস্কার কিংবা শোধনের ইঙ্গিত-যার মধ্যদিয়ে গঠিত হয় নিখুঁত ও নান্দনিক ব্যক্তি জীবন ও সমাজ বন্ধন, সম্ভব হতে পারে সভ্যতার শৈল্পিক সম্প্রসারণ।’
গতকাল নাট্যপত্রিকা ‘নাট্যমঞ্চ’ চট্টগ্রাম এর আয়োজনে নাট্যকার চৌধুরী জহুরম্নল হক স্মারকবক্তৃতা অনুষ্ঠানে ড. ইলু ইলিয়াস এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও গল্পকার অধ্যাপক চৌধুরী জহুরম্নল হকের এগারতম মৃত্যুবার্ষিকী উপলড়্গে অনুষ্ঠিত হয়। এতে আলোচনায় অংশ নেন ড. মহীবুল আজিজ ও ড. অরূপ বড়-য়া।
ড. অরূপ বড়-য়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম নাটক রচিত হয় নাট্যকার চৌধুরী জহুরম্নল হকের হাতে। সময়ের প্রয়োজনে তার অনেক নিরীড়্গাধর্মী নাটক মঞ্চস’ করা প্রয়োজন।
দ্বিতীয় পর্বে নাট্যকার চৌধুরী জহুরম্নল হক সম্মাননা-স্মারক প্রদান এবং তৃতীয় পর্বে চৌধুরী জহুরম্নল হক রচিত নাটক মঞ্চায়ন হয়। আর তাতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন দৈনিক আজাদীর সাহিত্য সম্পাদক কবি অরম্নণ দাশগুপ্ত। স্মারক তুলে দেন সম্মাননাপ্রাপ্ত নাট্যজন তির্যক নাট্যগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য খালেদা ফেরদৌস ও চট্টগ্রাম থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দীপক চৌধুরীর হাতে। উক্ত পর্বে উপসি’ত ছিলেন নাট্যকার নির্দেশক অভিনেতা রবিউল আলম। সেই সাথে শুভেচ্ছা জানান নাট্যমঞ্চ পরিবারের অন্যতম সদস্য সংগঠক আলাউদ্দিন খোকন এবং চৌধুরী জহুরম্নল হক এর একমাত্র সনত্মান মুসাররাত জবিন শমী ও জামাতা সদরম্নল আলম চৌধুরী।
তৃতীয় পর্বে চৌধুরী জহুরম্নল হক রচিত নাটক ‘চিঠি’ মঞ্চস’ হয়। সুচরিত চৌধুরী সম্পাদিত ও নির্দেশিত অনন্য থিয়েটার পরিবেশিত নাটকটিতে অভিনয় করেন সুশোভন চৌধুরী, ডলি দাশ, তিলক চক্রবর্তী ও দীলিপ রম্নদ্র। নাটকটির সংগীত ও আবহ পরিকল্পনা করেছেন দেবাশীষ রায়, আলোক পরিকল্পনায় দেবব্রত বণিক এবং মঞ্চসজ্জায় জিয়াউর রহমান শৈশব। নাট্যমঞ্চ সম্পাদক জাহেদুল আলমের সভাপতিত্বে পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নাট্যকর্মী শাহরিয়ার হান্নান।