শবে বরাত কবে-চূড়ানত্ম সিদ্ধানত্ম ১৭ এপ্রিল

সুপ্রভাত ডেস্ক

শবে বরাতের তারিখ নিয়ে বিভ্রানিত্ম তৈরি হওয়ায় একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে; ১০ সদস্যের এই কমিটি ১৭ এপ্রিলের মধ্যে বিভ্রানিত্ম নিরসনে সিদ্ধানত্ম দেবে। তার আগ পর্যনত্ম শবে বরাতের তারিখ নিয়ে বর্তমান সিদ্ধানত্মই বলবৎ থাকবে বলে গতকাল শনিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুলস্নাহ। খবর বিডিনিউজ।
গত শনিবার সন্ধ্যার পর ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় আগামী ২১ এপ্রিল রাতে শবে বরাত পালনের সিদ্ধানত্ম হয়।
সভা শেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, এদিন সারা দেশের কোথাও
শাবান মাসের চাঁদ দেখা না যায়নি। তাই নিয়ম অনুযায়ী ১৪ শাবান রাত অর্থাৎ ২১ এপ্রিল রাতে শবে বরাত পালন করা হবে। শবে বরাতে ছুটি থাকায় ওই সিদ্ধানত্ম ধরে চলমান এইচএসসি পরীড়্গার র্সূচিতেও পরিবর্তন আনা হয়।
এতিকে ‘মজলিসু রম্নইয়াতুল হিলাল’ নামের একটি সংগঠনের নেতারা গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, গত ৬ এপ্রিল শাবানের চাঁদ দেখা গেছে এবং তা প্রশাসনকে জানানো হলেও সে অনুযায়ী সিদ্ধানত্ম হয়নি। এরপর পরিপ্রেড়্গিতে গতকাল শনিবার সকাল ১১ টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বিশেষ সভায় বসে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে মজলিসু রম্নইয়াতিল হিলালের প্রতিনিধিরাও উপসি’ত ছিলেন।
সভা শেষে চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি শেখ আব্দুলস্নাহ বলেন, চাঁদ দেখা কমিটিতে আলেম, আবহাওয়া অধিদপ্তরসহ সংশিস্নষ্টরা রয়েছেন। তাদের মতামতের ভিত্তিতেই তারিখ ঘোষণা করা হয়েছিল।
‘কিন’ আমাদের শবে বরাতের তারিখ ঘোষণার একদিন পর তারা আপত্তি জানিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য আমাদের কাছে সৎ মনে হয়নি। তারপরও কোনো ধরনের বিভ্রানিত্ম যেন না থাকে সেজন্য তাদেরকে নিয়ে বৈঠক করলাম।’
বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধানত্ম নিতে মাওলানা আব্দুল মালেককে আহ্বায়ক করে উপকমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদদ্যরা হলেন, ফরিদাবাদ মাদ্রাসার মুহতামিম ও বেফাকের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি রম্নহুল আমীন, শায়খ যাকারিয়া (রহ.) ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, জামিয়া ইসলামিয়া দারম্নল উলুম (মসজিদুল আকবর কমপেস্নক্স) মাদ্রাসার মুহতামিম মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, তেজগাঁও মদীনাতুল উলুম কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আল আযহারী, লালবাগ মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি মো. ফয়জুলস্নাহ, লালবাগ মাদ্রাসার প্রধান মুফতি মাওলানা ইয়াহ্ইয়া, মোহাম্মদপুর জামেয়া রাহমানিয়ার প্রিন্সিপাল মুফতি মো. মাহ্ফুজুল হক ও বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এই কমিটি তাদের (আপত্তিকারী) সঙ্গে কথা বলে ১৭ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধানত্ম জানাবেন। কিন’ ওই সিদ্ধানত্ম দেওয়ার আগ পর্যনত্ম জাতীয় চাঁদ কমিটির বর্তমান সিদ্ধানত্মই বহাল থাকবে।’