লাকি হত্যা মামলা সাতদিনেও ধরা পড়েনি খুনি

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরের হালিশহরে ব্যবসায়ী নারী লাকি আক্তারের হত্যাকা-ে জড়িত দোকান কর্মচারী খালেদ সাত দিনেও ধরা পড়েনি। তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) এবং র্যাব কাজ করছে বলে জনিয়েছেন মামলার তদনত্ম কর্মকতআ হালিশহর থানার ওসি (তদনত্ম) বদরম্নল কবীর।
পুলিশের এ কর্মকর্তা জানান, খালেদ বার বার স’ান পরিবর্তন করছে। সর্বশেষ গতকাল (রোববার) তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি একটিভ ছিল গাজীপুর জেলার এরশাদ নগরে। তাকে গ্রেফতার করতে পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই ও র্যাব প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তাকে (খালেদ) যে সংস’া গ্রেফতার করম্নক না কেন সবার লড়্গ্য লাকির খুনিকে দ্রম্নত আইনের আওতায় আনা।
গত ১৯ মার্চ রাতে নিজের মালিকানাধীন দোকানের স্টোর রম্নমে লাকি আক্তার (৩২) নামে ওই নারীকে খুন করে পালিয়ে যায় কর্মচারী খালেদ। পুলিশ জানায়, খালেদের সঙ্গে লাকির পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। সম্প্রতি লাকির বুটিক হাউজে বোরকা সেলাই করতে আসা আরেক নারীর সঙ্গে খালেদের পরকীয়ায় সম্পর্কের জের ধরে লাকিকে লোহার একটি ভারী বস’ দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করে পালিয়ে যায় খালেদ। ওই নারীকে ইতোমধ্যে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ।
গত ১৯ মার্চ রাত ১১টায় হালিশহর ‘কে’ বস্নক এলাকার তিন নম্বর রোডের দুই নম্বর লেইনের চার নম্বর রোডে লাকির মালিকানাধীন দোকানের পেছনে স্টোর রম্নমে এ ঘটনা ঘটে। লাকির গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জে। তার স্বামী একজন শ্রীলঙ্কান নাগরিক। তার নাম নাস সু নাগাম। তিনি ইপিজেড এলাকার একটি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা। ১০ বছর আগে ভালোবেসে ওই শ্রীলঙ্কান নাগরিককে বিয়ে করেন লাকি। ১২ বছর ধরে হালিশহর এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন তিনি। তার দুই মেয়ে দুই

ছেলে। ছোট মেয়ের বয়স দুই মাস। স্বামী, ছোটভাই ও চার সনত্মানকে নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অদূরে একটি ফ্ল্যাট বাড়িতে থাকতেন লাকি আক্তার।