আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার

রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস’ানে থাকতে হবে

বিজ্ঞপ্তি

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল মান্নান বলেছেন, সাম্প্রতিক সময়ে রাখাইনের কিছু গ্রামে আবারো নতুন করে অত্যাচার-নির্যাতন শুরম্ন করেছে মিয়ানমার সরকার। সেখানকার নির্যাতিত রোহিঙ্গা ও রাখাইনের অধিবাসীরা এখানে অনুপ্রবেশের অপেড়্গায় রয়েছে। সুযোগ পেলেই তারা কক্সবাজার, বান্দরবান ও অন্যান্য এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকে পড়বে। মিয়ানমারের কোনো নাগরিক নতুন করে এদেশে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেজন্য বিজিবিসহ সংশিস্নষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর অবস’ানে থাকতে হবে।
সীমানত্মবর্তী এলাকা দিয়ে অবৈধভাবে আসা মাদক, অস্ত্রের চোরাচালান ও তেল পাচার রোধে সড়ক পথের পাশাপাশি নৌপথে টহল অব্যাহত রাখাসহ সংশিস্নষ্ট সংস’াকে প্রয়োজনীয় ব্যবস’া গ্রহণ করতে হবে।
গতকাল সোমবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যনত্ম চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে পৃথকভাবে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক টাস্কফোর্স সভা, জেলা প্রশাসকগণের সাথে সমন্বয় সভা, বিভাগীয় রাজস্ব সম্মেলন, বিভাগীয় উন্নয়ন সভা ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাগণের সাথে সমন্বয় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার অফিস পৃথক সভাগুলোর আয়োজন করেন।
তিনি বলেন, অপরাধ কর্মকা- নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে তৎপর থাকতে হবে। মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আত্মসমর্পণের জন্য সংশিস্নষ্ট জেলা প্রশাসকগণকে প্রয়োজনীয় পদড়্গেপ নিতে হবে। পেট্রোল পাম্প থেকে ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি তেল যাতে পাচার না হয় সে বিষয়ে সীমানত্মবর্তী জেলা প্রশাসকগণকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারম্নক বলেন, মাদকরোধে পুলিশের পড়্গ থেকে থাকবে জিরো টলারেন্স। অস্ত্র উদ্ধার, চোরাচালানরোধ,

জঙ্গি-সন্ত্রাসী ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৃথক সভাগুলোতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা, বিভাগীয় পরিচালক (স’ানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারম্নক, বিজিবির চট্টগ্রাম রিজিয়নের কমান্ডার ব্রি. জেনারেল মো. আমিরম্নল ইসলাম সিকদার, ডিজিএফআই’র চট্টগ্রাম শাখার কর্মকর্তা বি.জেনারেল মোহাম্মদ এমদাদ উলস্নাহ ভূইয়া, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরম্নল আলম নিজামী, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী মো. শামসুদ্দোহা, চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (পস্ন্যানিং), মো. জাফর আলম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন (চট্টগ্রাম), তন্ময় দাস (নোয়াখালী), আবুল ফজল মীর (কুমিলস্না), মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম (বান্দরবান), অঞ্জন চন্দ্র পাল (লক্ষ্মীপুর), একেএম মামুনুর রশিদ (রাঙামাটি), অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামাল মোহাম্মদ রাশেদ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), আশরাফুল আফসার (কক্সবাজার), মো. মাইনুল হাসান (চাঁদপুর), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিড়্গা চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক প্রফেসর প্রদীপ চক্রবর্তী, সিএমপির ডিসি-ডিবি (বন্দর) এস এম মোসত্মাইন হোসেন, কাস্টম কমিশনার কাজী মোসত্মাফিজুর রহমান, রেলওয়ে জেলা পুলিশ সুপার নওরোজ হাসান তালুকদার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মজিবুর রহমান পাটোয়ারী, এনএসআই’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. তোফাজ্জল হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পিপি অ্যাডভোকেট একেএম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, চোরাচালান নিরোধ ট্রাইবুন্যালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট হরিপদ চক্রবর্তী, মহানগর পিপি অ্যাডভোকেট ফখরম্নদ্দিন চৌধুরী, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক অঞ্জনা ভট্টাচার্য্য প্রমুখ। গত সভার সিদ্ধানত্ম ও অগ্রগতি তুলে ধরেন বিভাগীয় কমিশনার অফিসের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিষেক দাশ।