ইউএসটিসি

রেজিস্ট্রেশন না করায় এমবিবিএস শিক্ষার্থীদের অবস্থান ধর্মঘট

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউএসটিসির এমবিবিএস শ্রেণির তিনটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার দাবিতে গতকাল বুধবার অবস্থান ধর্মঘট করে শিক্ষার্থীরা-সুপ্রভাত
ইউএসটিসির এমবিবিএস শ্রেণির তিনটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার দাবিতে গতকাল বুধবার অবস্থান ধর্মঘট করে শিক্ষার্থীরা-সুপ্রভাত

চট্টগ্রাম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইউএসটিসি) এমবিবিএস শ্রেণির তিনটি ব্যাচের শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার দাবিতে গতকাল বুধবার অবস’ান ধর্মঘট করেছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস’ান ধর্মঘট পালন করে তারা। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা নেমে আসে রাস্তায়। এসময় জাকির হোসেন সড়ক ও আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ইউএসটিসির উভয় দিকে আটকা পড়ে বিপুলসংখ্যক যনবাহন।
এসময় ঘটনাস’লে পুলিশ গিয়ে পরিসি’তি নিয়ন্ত্রণ করে। খুলশি থানার ওসি নিজাম উদ্দিন জানান, রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার দাবিতে এমবিবিএস শ্রেণির তিনটি ব্যাচের শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করার চেষ্টা করলে আমরা তাদের বুঝিয়ে ক্যাম্পাসে ঢুকিয়ে দিই।’
শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক বলে মন্তব্য করে ওসি নিজাম জানান, এমবিবিএস শ্রেণিতে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি)’র নির্দিষ্ট কোটার বাইরে প্রায় এক হাজার ছাত্র ২৫, ২৬ ও ২৭ ব্যাচে ভর্তি করে ফেলেছে ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ। এখন কোটার বাইরে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করছে না বিএমডিসি। ফলে এসব ছাত্র নিয়ে বিপাকে পড়েছে ইউএসটিসি। বিএমডিসির সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ চেষ্টা করছে বলে জানান ওসি ।
এদিকে গতকাল দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়ার পর বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ইউএসটিসির উপাচার্য, উপ-উপাচার্যসহ অন্য শিক্ষকদের কিছু সময় অবরুদ্ধ করে রাখে।
শিক্ষার্থীরা জানান, ইউএসটিসির এমবিবিএস শ্রেণিতে বর্তমানে ৩০তম ব্যাচ চলছে। তাদের নিবন্ধন নেই। ২৫তম ব্যাচে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা বর্তমানে আছেন শেষ বর্ষে। পাঁচ বছর ধরে রেজিস্ট্রেশনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে তারা। কিন’ ইউএসটিসি কর্তৃপক্ষ তা আমলে না নিয়ে শুধু সময়ক্ষেপণ করে আসছে। ছাত্রদের বলছে বিএমডিসির সাথে যোগাযোগ করতে। এটা তো ছাত্রদের দায়িত্বে পড়ে না, মন্তব্য এক ভুক্তভোগীর।
গতকাল বুধবার রাত সাড়ে নয়টার জানতে চাইলে ইউএসটিসির উপাচার্য ড. প্রভাত চন্দ্র বড়-য়া এ বিষয়ে রেজিস্ট্রারের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। পরে একাধিকবার কল করা হলেও মোবাইল ফোন ধরেননি ইউএসটিসির রেজিস্ট্রার প্রফেসর বদরুল আমীন চৌধুরী।

আপনার মন্তব্য লিখুন