রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরঞ্জাম সরবরাহ করবে ভারত

সুপ্রভাত ডেস্ক

নিউক্লিয়ার সাপ্লাই গ্রুপের (এনএসজি) সদস্যপদ না থাকা সত্ত্বেও রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি ও জ্বালানি সরবরাহের সুযোগ পাবে ভারত। ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় ভারত এই কারিগরি সহযোগিতা দেবে বলে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমানি।
আন্তর্জাতিক বাজারে পরমাণু বিদ্যুৎ সরঞ্জাম বিক্রির জন্য এনএসজি সদস্যপদ থাকতে হয়, যা ভারতের নেই। তবে বাংলাদেশ-রাশিয়া ও ভারতের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় দেশটি ওইসব সরঞ্জাম সরবরাহের সুযোগ পাবে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুত ভারতে পাঠানোর কোনও সিদ্ধান্ত না থাকলেও, অন্যদিক দিয়ে প্রকল্পটি ভারতের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিতে পারে। রূপপুরের পারমাণবিক চুল্লি নিয়ে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ-ভারত-রাশিয়া ত্রিপক্ষীয় চুক্তি হয়ে গেছে। সেই সূত্রে ভারত পারমাণবিক শক্তিসংক্রান্ত জিনিসপত্রের বিক্রেতা হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার সুযোগ পেতে পারে।
বাংলাদেশ যে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাচ্ছে, ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য পারমাণবিক চুল্লি কেনা হচ্ছে রাশিয়ার কাছ থেকে। ভারতের তামিলনাড়ুর কুদানকুলামে চালু থাকা পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রেটিতে ব্যবহৃত প্রযুক্তিটির সঙ্গে রাশিয়ার চুল্লিটির প্রযুক্তিগত মিল অনেক। তাই বাংলাদেশ ও ভারত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য এক সঙ্গে কাজ করছে।
বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজ করার জন্য নির্ধারিত প্রকৌশলীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ভারতে সহযোগিতায়। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ভারত আশা করে, তারা বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে উপকরণ সরবরাহের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশের পারমাণবিক চুল্লিটি ২০২৩ সালে চালু হওয়ার কথা।