রুটিদের পোড়া এবং বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু

দ্বীপ সরকার

ওরা ঠিকঠাক বুঝেই পাতাল ফেঁরে
উঠে এসে ট্রিগারে চাপ দিচ্ছিলো
তখন একটা গদ্যময় জীবন
মেঝেতে লুটিয়ে পড়লো ;

ওরা বুঝেই একটা ধূর্ত শেয়াল হলো-
তারপর ইচ্ছাকে উদ্যত করলো কামড়াতে,
দাঁতের সীমানা ছাড়িয়ে গেলো কামড়ের ধ্বনি
দেয়ালের ভেতর বাহারী তৃপ্তির শকট
রসমালাইয়ে চুবিয়ে একেকটা
গল্পের পরিণতি হলো যাদুবাস্তব মিষ্টান্নে ।

এইসব বিহঙ্গনীল
এইসব আস্তাকুঁড়ে আকাশ
তপোবনের নুরিসুরি ছায়ানট
সাক্ষীগোছেরই মনে হয়- তারা দেখেছে
চিৎকারের আওয়াজে গতিবিদ্যার নোটিশ
কেমন করে আটকে গিয়েছিলো দেয়ালে।
ছোপ ছোপ রক্ত প্রতিটি ইশারার ভেতর ঢুকে
বত্রিশ নম্বর বাড়ির দিকেই নিয়ে যাচ্ছিলো-
তখন কোনো কবিতা মুখে আসেনি।

একেকটা বঙ্গবন্ধু একেকটা ইশারার ছোবল
আমরা সেদিকে যাইনি-
আমরা গিয়েছিলাম ভুলগ্রহের দিকে
যেদিকে তাপবিদদের গবেষণা পত্রে লেখা ছিলো ঃ
কতোকটা মৃত্যু রুটিদের মতো
আমরা রুটির গন্ধ শুঁকে মজি -রুটির পোড়া দেখি না…