রাঙ্গুনিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতার লাশ, মহেশখালীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত এক

নিজস্ব প্রতিনিধি, রাঙ্গুনিয়া, প্রতিবেদক কক্সবাজার

উপজেলার মরিয়মনগর কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কের কাটাখালী গাছ বাগান এলাকায় গতকাল সোমবার আওয়ামী লীগ নেতা আলতাফ হোসেন (৪৫) ওরফে কানা আলতাফের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় লাশের পাশ থেকে পিস্তল ও চাকু পাওয়া যায়। তাকে কে বা কারা মেরেছে সেই বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানান রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ। তার বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি, চাঁদাবাজি ও পুলিশের ওপর আক্রমণসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। এছাড়া আলতাফ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস’ার তালিকাভুক্ত চিহ্নিত আসামি।

আলতাফের পরিবারের সূত্র জানায়, রোববার রাত ৮টায় সাদা পোশাকধারী কয়েকজন লোক নিজ গ্রাম থেকে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। তবে কারা ছিল তা তারা জানেন না। সকাল ১১টায় কাপ্তাই সড়কের পাশে কাটাখালী ঝোপের ভেতর রক্তাক্ত অবস’ায় লাশ পাওয়া যায়। আশেপাশের কয়েকস’ানে রক্তের ছোপ রয়েছে।

আলতাফ মরিয়মনগর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। নিহত আলতাফ হোসেন মরিয়মনগর ইউনিয়নের মৌলভী মাসুম সাহেব বাড়ির মৃত হাজী আবদুল মোতালেব’র পুত্র।
কক্সবাজার

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সন্ত্রাসী দুই গ্রুপের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে মহেশখালীর হোয়ানক ইউনিয়নের দিনেশপুরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আবদুল মালেক (৩৭) নামে একাধিক মামলায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মহেশখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছেন, বেলা ১১টার দিকে খবর পায় মহেশখালী পাহাড়ি এলাকার দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধ হচ্ছে। খবর পেয়ে মহেশখালী থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস’লে পৌঁছায়। গোলাগুলির শব্দ পেয়ে ঘটনাস’লে গিয়ে পুলিশও ফাঁকাগুলি চালায়। পুলিশের উপসি’তি টের পেয়ে দুই গ্রুপের সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস’লে একজনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। স’ানীয়দের নিয়ে পরিচয় শনাক্ত করতে গেলে নিহত ব্যক্তি সন্ত্রাসী গ্রুপের সদস্য আবদুল মালেক বলে জানান তারা। মালেক মহেশখালীর হোয়ানক পানিরছরা এলাকার বশির আহমদের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস’ল থেকে ৫টি অস্ত্র, ২০ লিটার চোলাই মদ, ৫০০ ইয়াবা উদ্ধার করে। ওসি আরও জানান, নিহত আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে কক্সবাজারের মহেশখালী ও চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানায় বিভিন্ন অপরাধে ৮টি মামলা রয়েছে। এর মাঝে বেশ কয়েকটিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অস্ত্র, মদ ও ইয়াবা উদ্ধার ঘটনায় পৃথক মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।