মোদীর আলিঙ্গন-কূটনীতি নিয়ে কংগ্রেসের ভিডিও-রঙ্গ

সুপ্রভাত বহির্বিশ্ব ডেস্ক

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আলিঙ্গন-কূটনীতি নিয়ে ব্যাঙ্গ করে বিরোধী দল কংগ্রেসের প্রকাশ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগের মাধমে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ভারতের রাজনীতিতে কে প্রথম আলিঙ্গন-কূটনীতির চর্চা শুরু করেছিলেন, সে গবেষণাও শুরু করে দিয়েছেন কেউ কেউ। খবর বিডিনিউজ। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু রোববার ভারত সফরে দিল্লি পৌঁছানোর পর অনির্ধারিতভাবে তাকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। উড়োজাহাজ থেকে নেমেই নেতানিয়াহু বন্দি হন মোদীর আলিঙ্গনে, যেমনটা আরও অনেক রাষ্ট্রনেতাকে হতে হয়েছে গত কয়েক বছরে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, নেতানিয়াহুর আসার দিনই কংগ্রেস সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ওই ভিডিও ছাড়ে। এর আগে বিভিন্ন দেশে গিয়ে মোদী কীভাবে রাষ্ট্রনেতাদের অলিঙ্গনে জড়িয়েছেন, সেসব ছবি দেওয়া হয় সেখানে।
মোদীর এই আলিঙ্গন-কূটনীতির নাম দেওয়া হয়েছে ‘হাগপ্লোমেসি’। ফ্রান্সের সাবেক প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলন্দকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরার বিখ্যাত সেই মুহূর্তকে বলা হচ্ছে মোদীর ‘টাইটানিক হাগ’। কেন এই নাম- তা বোঝাতে টাইটানিক সিনেমার বিখ্যাত সেই অংশওটিও রাখা হয়েছে ভিডিওতে।
কংগ্রেসের ভিডিও রঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিতো আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিজেপ তায়িপ এরদোয়ানের সঙ্গে মোদীর আলিঙ্গনের মুহূর্তগুলো যেমন এসেছে, তেমনি জার্মানির চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেলের সঙ্গে তার করমর্দনের ব্যর্থ চেষ্টা আর জাপানের ফার্স্ট লেডি আকি আবের সরে যাওয়ার ঘটনাও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এক টুইটে ওই ভিডিও প্রকাশ করে কংগ্রেস লিখেছে, প্রধানমন্ত্রী মোদীর আরও আলিঙ্গন দেখার অপেক্ষায়। এর প্রতিক্রিয়ায় বিজেপির মুখপাত্র সম্বিত পাত্র বলেন, ইসরায়েলের নেতা যখন ভারতে, বিরোধী দল কংগ্রেস তখন এমন একটি টুইট করতে পারে তা তিনি ভাবতেও পারেননি। এর পর থেকে ফেইসবুক আর টুইটারে কংগ্রেস আর বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে যুদ্ধ চলছে আলিঙ্গন-কূটনীতি নিয়ে। বিজেপি সমর্থকদের পোস্টে রাহুল গান্ধী, লালু প্রসাদ যাদব, মনমোহন সিংয়ের পুরনো ছবি যেমন আসছে, তেমনি ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুকে টেনে আনছেন অনেকে।