মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করছে সরকার : মেয়র

DSC_0343

সরকারের পাশাপাশি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন গৃহহীন মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসনের লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে গৃহনির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। চসিক এর নিজস্ব অর্থায়নে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের অস্বচ্ছল ১০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে তাদের নিজস্ব জায়গায় গৃহনির্মাণ করে দেবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
গতকাল ২০ এপ্রিল বিকাল ৪ টায়, নগরীর উত্তর কাট্টলীর মরহুম মৌলানা তমিজুর রহমানের বাড়িতে এ কর্মসূচির আওতায় ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবন’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।
তিনি ভিত্তিফলক উন্মোচন ও মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবন’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা ও সুধী সমাজের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সামসুদ্দোহা।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম জেলা কমান্ড এর কমান্ডার মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন, মহানগর কমান্ডের কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, মহানগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা সফর আলী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, বীর চট্টগ্রাম মঞ্চের সম্পাদক সৈয়দ উমর ফারুক, প্যানেল মেয়র-৩ নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু, মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য বেলাল আহমদ, কাউন্সিলর সালেহ আহমদ চৌধুরী, জহুরুল আলম জসিম, হাসান মুরাদ বিপ্লব, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবিদা আজাদ, মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান সুলতান আহমদ, সাধারন সম্পাদক কাজী আলতাফ হোসেন, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, হাবিবুর রহমান, হুমায়ুন কবির বক্তব্য রাখেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স’াপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষনে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। তাঁদের অনেকেই আজও মানবেতর জীবন যাপন করছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়ে তাঁদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় মর্যাদা, মাসিক ভাতা প্রদান, পুনর্বাসন, সন্তানদের সরকারি কোটায় চাকরি প্রদানসহ নানাভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। মেয়র তার ভিশন তুলে ধরে বলেন, নগরবাসী তাকে নির্বাচিত করেছে সেবার জন্য। মেয়র পদকে ব্যবহার করে ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য নয়। চট্টগ্রাম নানাদিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা।
এ চট্টগ্রামে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে যুগে যুগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে চট্টগ্রামকে পেছনে ফেলে রাখা হয়েছে। আজ সুযোগ এসেছে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার। তাই চট্টগ্রামের উন্নয়নে নানামূখী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি