মাসের শেষে শৈত্যপ্রবাহের আভাস

সুপ্রভাত ডেস্ক

পৌষের শুরু থেকেই এবার রাতের তাপমাত্রা কমছে; মধ্যরাত থেকে থাকছে ঘনকুয়াশার চাদর; সঙ্গে উত্তুরে হাওয়া।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, পঞ্জিকা ধরেই যেন বাংলাদেশে শীত এসেছে এবার। মাসের শেষভাগে রয়েছে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা। খবর বিডিনিউজ।
বাংলা পঞ্জিকায় পৌষের চতুর্থ দিন সোমবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল যশোরে- ১১ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর কক্সবাজারে ছিল সর্বোচ্চ ২৯ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ঢাকায় এদিন সর্বোচ্চ ২৫ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ১৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
মঙ্গলবারের আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান বলেন, অস্থায়ীভাবে আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। তবে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগরে দুই-এক জায়গায় হালকা অথবা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
‘মৌসুমে স্বাভাবিক শীত বিরাজ করছে। এ সপ্তাহে রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমবে। তবে মাসের শেষার্ধে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা তখন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচেও নামতে পারে।’
সপ্তাহ খানেক আগেই নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের অধিকাংশ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়। শীতও বাড়তে শুরু করে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে আকাশ মেঘমুক্ত থাকলে ধীরে ধীরে রাতের তাপমাত্রা কমে জেঁকে বসবে শীত। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান যত কমবে শীতের প্রকোপও তত বাড়বে। তখন দিন ও রাতের তাপমাত্রা দুটোই কমে আসবে।
ডিসেম্বরের দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, এ মাসের শেষে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুটি মৃদু (৮-১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) বা মাঝারি (৬-৮ ডিগ্রি সেলসিয়সাস) শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।