সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক বিরোধী সভায় মেয়র

মাদকসেবীকে নয় মাদককে ঘৃণা করি

বিজ্ঞপ্তি

দেশে বিভিন্ন সত্মরের প্রায় ৭০ লাখ মাদকসেবী রয়েছে। দিন দিন এর ব্যাপ্তি হচ্ছে। মাদকাসক্ত পরিবার, সমাজ ও দেশের জন্য অভিশাপ। এই অভিশাপ থেকে বেরিয়ে আসতে হলে পরিবারকে মাদকমুক্ত রাখতে হবে। এর জন্য পরিবারের প্রধান বা অভিভাবককে দায়িত্ব পালন করতে হবে। গত সোমবার দুপুরে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আগ্রাবাদ ক্লাসিক ওয়ার্ল্ডে চসিক আয়োজিত সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক বিরোধী ও স’ানীয় জনসাধারণের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। ২৮নম্বর পাঠানটুলী ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আবদুল কাদের এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমার্স কলেজের অধ্যড়্গ প্রফেসর আইয়ুব ভুঁইয়া, চসিক আইন শৃংখলা স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল, সদস্য সচিব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আফিয়া আকতার, স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, বাংলাদেশ কর্মাস ব্যাংকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী রশিদ আহমদ চৌধুরী, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে সিরাজদৌলস্নাহ, অ্যাডভোকেট আহসানুলস্নাহ, হাসান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। মেয়র বলেন, মাদকসেবীকে নয়, মাদককে ঘৃণা করি। মাদকাসক্ত হওয়ার পেছনে বহুবিদ কারণ রয়েছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তিকে সুন্দর ব্যবহার, বুঝিয়ে সুজিয়ে এবং পরিচর্যার মধ্যমে সুপথে আনতে হবে। এই প্রসংগে মেয়র কোমলমতি শিশুদেরকে নৈতিক শিড়্গাদানের উপর গুরম্নতারোপ করেন। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে মারাত্মক সমস্যাবলীর মধ্যে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গীবাদ অন্যতম। এর বিষাক্ত ছোবলে আক্রানত্ম হচ্ছে অসংখ্য সম্ভাবনাময় জীবন। মাদকাসক্ত রম্নখতে নৈতিক মুল্যবোধ জাগ্রতকরণ এবং গণসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক নির্মূলে সামাজিক কর্মকা- হিসেবে প্রত্যেক ওয়ার্ডে কমিটি গঠনের পাশাপাশি প্রতি শুক্রবার জুমার খুৎবায় এ ব্যাপারে নাগরিক সচেতনতা সৃষ্টিতে ইমামদের বক্তব্য দেয়ার জন্য কাউন্সিলরদের উদ্যোগ নিতে বলেন মেয়র। এছাড়াও মেয়র সন্ত্রাস, জঙ্গী ও মাদক বিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতেও মন্দির, গীর্জার পুরোহিত এবং ধর্মীয় প্রধানদের দায়িত্ব পালনের আহবান জানান। এর পূর্বে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ ও মাদক বিরোধী এক বর্ণাঢ্য র্যালি আগ্রাবাদ এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদড়্গিণ করে। এই র্যালিতে স্কুলের শিড়্গার্থী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স’ানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।