‘মাটি ও মানুষের নেতা ছিলেন এম এ আজিজ’

বিজ্ঞপ্তি

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রসেনানী, এক দফার অন্যতম প্রবক্তা, চট্টল শার্দুল এম এ আজিজের ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করে বিভিন্ন সংগঠন।
উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ
চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে সকাল ১০ টায় মরহুমের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ, কবর জেয়ারত ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় উপসি’ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, সহসভাপতি অধ্যাপক মো. মঈনুদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কালাম আজাদ, সাবেক সংগঠনিক সম্পাদক ডা. শেখ শফিউল আজম, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন বাবলু, প্রচার সম্পাদক জসিম উদ্দিন শাহ, কার্যনির্বাহী সদস্য মহিউদ্দিন রাশেদ, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহসম্পাদক মো. সেলিম উদ্দিন, সদস্য রাশেদ খান মেনন, মরহুমের সনত্মান সাইফুদ্দিন খালেদ প্রমুখ।
মহিলা শ্রমিক লীগ
চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা শ্রমিক লীগের সভানেত্রী নাসরিন আকতার নাহিদার সভাপতিত্বে মরহুম এম এ আজিজের কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয় ১২ জানুয়ারি। বিকালে আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯২১ সালে চট্টগ্রামে হালিশহরে এম এ আজিজ এক সম্ভ্রানত্ম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৯ সালে এম এ আজিজ চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
এরপর থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণে করে ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিব ৬ দফা ঘোষণা করলে তাকে সমর্থন করে প্রথম বিবৃতি দেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ। ৬ দফা আদায় না হলে এক দফার আন্দোলন বেছে নেন। চট্টগ্রাম মাটি ও মানুষের হৃদয়ে সারাজীবন এম.এ আজিজ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ডা. সেলিনা, জাহাছিয়া নূর রোজী, নাজমিন আকতার রম্নবী, সাজেদা বেগম, হাসিনা বেগম, মরিয়ম বেগম, রহিমা বেগম, শ্যামলী, চামেলী, পপি, নীপা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।