মহেশখালী ৪৩ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার

কক্সবাজারের মহেশখালী ও কুতুবদিয়া উপকূলীয় এলাকার ছয় জলদস্যু সিন্ডিকেট বাহিনীর ৪৩ জন সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামালের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছেন। এই সময় ৯৪টি অস্ত্র ৭ হাজার ৬৩৭টি গোলাবারম্নদ হসত্মানত্মর করা হয়।
শনিবার দুপুর ১২টার দিকে মহেশখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে র্যাব।
সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামালের উপসি’তিতে জলদস্যুরা আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে উপসি’ত ছিলেন- র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ কর্মকর্তা খন্দকার গোলাম ফারম্নক, কক্সবাজার-৩ (কক্সবাজার-রামু) আসনের এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনের এমপি আশেক উলস্নাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন ও পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন প্রমুখ।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মহেশখালীর আনজু বাহিনীর ১০ জন সদস্য ২৪টি অস্ত্র এবং ৩৪৫টি গোলাবারম্নদ, রমিজ বাহিনীর দুইজন সদস্য আটটি অস্ত্র এবং ১২০টি গোলাবারম্নদ, নুরম্নল আলম ওরফে কালাবদা বাহিনীর ছয়জন সদস্য ২৩টি অস্ত্র এবং ৩৩৩টি গোলাবারম্নদ, জালাল বাহিনীর ১৫ জন সদস্য ২৯টি অস্ত্র, ছয় হাজার ৭৯৮ গোলাবারম্নদ, আইয়ুব বাহিনীর নয়জন সদস্য নয়টি অস্ত্র, ৩৭টি গোলাবারম্নদ ও আলাউদ্দিন বাহিনীর একজন সদস্য একটি অস্ত্র এবং চারটি গোলাবারম্নদ জমা দিয়েছেন।
এর মধ্যে রয়েছে- এসএমজি একটি, ব্রিটিশ ৩৪ রিভলবার একটি, দেশি পিসত্মল দুটি, দেশি একনলা বন্দুক ৫২টি, দেশি দুইনলা বন্দুক দুটি, ওয়ান শুটারগান ১৯টি, থ্রি কোয়ার্টার ১৫টি ও ২২ বোর রাইফেল।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কড়া নির্দেশনা রয়েছে দেশে কোনো অবস’াতেই মাদক ও অস্ত্রবাজ থাকতে পারবে না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসীরা আত্মসমর্পণ করছে। এরই ধারাবাহিকতায় মহেশখালীর উপকূলীয় এলাকার জলদস্যুরা আত্মসমর্পণ করেছে। আমরা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এসব জলদস্যুর স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ করে দেব। এখনো যারা আত্মসমর্পণ করেননি তাদের এখনও সময় আছে। সুযোগ থাকতে দ্রম্নত অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করম্নন। না হলে কঠোরভাবে দমন করা হবে।