মহেশখালীতে অস্ত্র কারখানার সন্ধান

২০ বন্দুক, গুলি ও সরঞ্জামসহ দুই কারিগর গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিনিধি, মহেশখালী

মহেশখালীর পাহাড়ি এলাকায় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে র্যাুব। রাতব্যাপী অভিযানের পর এ কারখানা থেকে ২০টি বন্দুক, বিপুল গুলি, বন্দুক বানানোর যন্ত্রপাতিসহ দুজন কারিগরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম র্যা ব-৭ ও র্যােবের কক্সবাজার ক্যাম্পের সদস্যরা এ অভিযানে অংশ নেন। শনিবার রাত ৮টায় শুরু হওয়া এ অভিযান শেষ হয় রোববার ভোর সাড়ে ৬টায়। এ সময় র্যা ব-সন্ত্রাসীদের মধ্যে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে।

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা র্যাটব-৭ এর কক্সবাজার ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মেহেদী হাসান জানান, মহেশখালীর পাহাড়ের গহীনে বনের ভেতর বন্দুক তৈরির কারখানা রয়েছে। স’ানীয় সন্ত্রাসীদের সমন্বয়ে বেশ কিছু সংখ্যক কারিগর এতে বন্দুক বানানোর কাজ করে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম র্যা ব-৭ এখানে অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হন। শনিবার সকাল থেকে র্যােব সদস্যরা সাদা পোশাকে এলাকায় অবস’ান নেন। রাত ৮ টার পর থেকে শুরু হয় চূড়ান্ত অভিযান।

তিনি জানান, এ মিশনে র্যা ব মূলত দুই জায়গায় অভিযান পরিচালনা করেন। প্রথমে কালারমার ছড়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় র্যা ব বন্দুক বানানোর দুজন কারিগরকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হল আব্দুল হাকিম (৩৮) ও মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ (৩১)। পরে গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় অভিযান শুরু করে র্যাীব। এ সময় কালারমার ছড়া ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ের গহীনে বনের ভেতর স’াপন করা অস্ত্রের কারখানায় অভিযান চালানো হয়। তখন বেশ কয়েকজন কারিগর ওই কারখানায় বন্দুক বানানোর কাজ করছিল। র্যােবের উপসি’তি টের পেয়ে অস্ত্রের কারখানা থেকে র্যাশবের অভিযান দলকে গুলি ছোড়ে সন্ত্রাসীরা। র্যা ব সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায়। এ সময় কারিগরদের অনেকেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
র্যা বের এই কর্মকর্তা জানান, অভিযান সমাপ্ত হওয়ার পর গ্রেফতারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে অস্ত্র, গুলি ও সরঞ্জামসহ তাদের মহেশখালী থানায় সোপর্দ করা হবে।

মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, রোববার রাত সাড়ে ৭ টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের থানায় সোপর্দ করা হয়নি।