বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সমাবেশে নেতৃবৃন্দ

মর্যাদার প্রশ্নে ছাড় নয়, বিসিএস ছাড়া ক্যাডার নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক
BCS_Bivagiyo-Shomabesh_Ctg-

‘স্নাতক বা স্নাতকোত্তর শেষে নাওয়া-খাওয়া ভুলে, দিন-রাত এক করে পড়াশোনা করে, বিসিএস পরীক্ষার মতো কঠিন বৈতরণী পার হয়ে তবেই ক্যাডার হিসেবে মনোনীত হন একজন ছাত্র। সে জায়গায় কেউ যদি প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটা স্মারকলিপি, দুটো মানববন্ধন কিংবা রাস্তায় নেমে মিটিং-মিছিল করেই বিসিএস ক্যাডার হয়ে যায়, তাহলে বিসিএস’র মাহাত্ম্যটা আর থাকলো কোথায়? কোনোভাবেই আমরা এ মর্যাদার প্রশ্নে ছাড় দিতে পারি না।’
জাতীয়করণ করা বেসরকারি কলেজের শিক্ষকবৃন্দকে কোনোভাবেই বিসিএস ক্যাডারের সমমর্যাদা দেওয়া যাবে না- এমন দাবিতে গতকাল চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত সাংগঠনিক বিভাগীয় সমাবেশে ‘বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি’র নেতৃবৃন্দ কথাগুলো বলেন।
বিকাল ৪টায় শুরু হওয়া এই সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সভাপতি প্রফেসর আই কে সেলিম উল্লাহ খন্দকার। বিশেষ অতিথি ছিলেন সমিতির মহাসচিব শাহেদুল খবির চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সুমন বড়-য়া, সাংগঠনিক সচিব ড. মো. নুরুল বাশার, মো. কামাল হোসেন, মো. ইলিয়াস, আনোয়ার সাদাত, জাবেদ নূর, মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, অঞ্জন কুমার নন্দী, ঝরণা খানম, প্রদীপ চক্রবর্তী, মো. আরিফুল আনোয়ার খান প্রমুখ।
বক্তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, বক্তারা সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আগামী ১৬ নভেম্বরের মধ্যে স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়ন ও জাতীয়করণ আদেশ জারির আগে সরকারি কর্মকমিশন পরিচালিত প্রতিযোগিতামূলক বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগের জন্য সুপারিশ ছাড়া অন্য কোনো উপায়ে কোনো ব্যক্তিকে ক্যাডারভুক্ত করা যাবে না।’
উপসি’ত নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘বিসিএস ক্যাডার রুলস অনুযায়ী, সরকার ওইসব শিক্ষকদের ক্যাডার বহির্ভূত রেখে স্বতন্ত্র বিধিমালা প্রণয়ন না করলে সামনে আরো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। এজন্য সবাই যেন প্রস’ত থাকেন।’
সমাবেশে আসা নাসিরাবাদ সরকারি মহিলা কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক আব্দুল মান্নান সুপ্রভাতকে বলেন, ‘আমরা জীবনে অনেক কষ্ট স্বীকার করে বিসিএস ক্যাডার হয়েছি। এখন কেউ যদি বিছানায় শুয়ে শুয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়ে যায়, তাহলে এটা আমাদের জন্যই অপমানজনক। আমরা এটা কিছুতেই হতে দিতে পারি না।’