ভূমি মন্ত্রণালয়কে টপ ফাইভে নিতে চাই: মন্ত্রী

বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের বিশৃঙ্খলা, ক্ষুদ্ধ জাবেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ভূমিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে ঢাকা থেকে গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে আসেন সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। তাঁকে স্বাগত জানাতে বিকেল তিনটা থেকে হযরত শাহ আমানত আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জের সামনে অপেড়্গা করছিলেন আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনের আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী। বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে জাবেদকে বহনকারী বিমান যখন রানওয়েতে অবতরণ করে তখন নিরাপত্তাকর্মীদের ভেদ করে রানওয়েতে ঢুকে পড়েন নেতাকর্মীরা।
রানওয়েতে ঢুকে হইচই ফেলে দেন নেতাকর্মীরা। মুহুর্মুহু সেস্নাগান দিতে থাকেন তারা। বিমানবন্দরের অত্যনত্ম স্পর্শকাতর জায়গা রানওয়েতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলেও পুলিশসহ বিমানবন্দরের নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের রানওয়ে থেকে সরানোর কোনো চেষ্টাই করেননি তারা।
তখন বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জে অবস’ান করছিলেন সংবাদকর্মীরা।
দেখা গেছে, বিমান থেকে নামামাত্রই রানওয়েতে মন্ত্রী জাবেদকে ঘিরে ধরেন নেতাকর্মীরা। তারা একে একে মন্ত্রীর হাতে ফুল দিতে থাকেন। একপর্যায়ে মন্ত্রীকে খুবই বিরক্ত ও ড়্গুব্ধ হতে দেখা যায়।
এদিকে ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার ওপর আস’া রেখে এ মন্ত্রণালয়ে এবার পূর্ণমন্ত্রীর যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা যেন বিশ্বসত্মতার সাথে পালন করতে পারি সে চেষ্টা করবো। এটা এক গুরম্নদায়িত্ব।’
‘ভূমি মন্ত্রণালয় জনগণকে সেবা দেওয়ার মন্ত্রণালয়’ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার স্বপ্ন, ভূমি মন্ত্রণালয়কে এবার টপ ফাইভে নিয়ে আসা। এটাই আমার চ্যালেঞ্জ। আশা করি, এতে আমি সফল হবো।’
সাইফুজ্জামান জাবেদ বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে আমি দুর্নীতির ড়্গেত্রে জিরো টলারেন্সে ছিলাম। এবার এ মন্ত্রণালয়ে আমি বৈপস্নবিক পরিবর্তন আনবো। কোনো ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে আমি এ মন্ত্রণালয় থেকে যাবো না।’
ভূমিমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন উপলড়্গে আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের তাঁকে হযরত শাহ আমানত আনত্মর্জাতিক বিমানবন্দরে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল। কিন’ সড়কে মানুষের ভোগানিত্মর কথা ভেবে বৃহস্পতিবার রাতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান বাতিল করে দেন জাবেদ।
গতকাল বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে যাওয়া আনোয়ারা উপজেলা আওয়ামী লীগের একজন নেতা সুপ্রভাতের এ প্রতিবেদককে
বলেন, ‘যদি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন হতো, তাহলে বিমানবন্দরে আজকে কী অবস’া হতো?’
মন্ত্রী জাবেদের সঙ্গে একই বিমানে করে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুরও চট্টগ্রামে আসেন। বিমানবন্দরে মন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেন, জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা ও দড়্গিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান।