ভূটানের মুখোমুখি বাংলাদেশের মেয়েরা শেষ চারে ওঠার লড়াই আজ

সুপ্রভাত ক্রীড়া ডেস্ক

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের মেয়েদের সবচেয়ে বড় জয়ের গল্পটি ভুটানের বিপড়্গেই লেখা। ২০১০ সালের প্রথম আসরে কক্সবাজারে গ্রম্নপ পর্বে ৯-০ গোলে জিতেছিল মেয়েরা। নেপালের বিরাটনগরে এবার সেই ভুটানকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠার লড়্গ্য বাংলাদেশের। বিরাটনগরের রাংসালা স্টেডিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার স’ানীয় সময় বেলা ৩টায় ‘এ’ গ্রম্নপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভুটানের মুখোমুখি হবে গত আসরের রানার্সআপ বাংলাদেশ। খবর বিডিনিউজ’র।
গ্রম্নপের প্রথম ম্যাচে ভুটানকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বাংলাদেশের সেমিফাইনালে ওঠার কাজ কিছুটা সহজ করে দিয়েছে স্বাগতিক নেপাল। তিন দলের গ্রম্নপে তাই শুরম্নটা জয় দিয়ে হলে সেরা চারের টিকেট নিশ্চিত হয়ে যাবে গোলাম রব্বানী ছোটনের দলের।
সে লড়্গ্য পূরণের জন্য বুধবার সকালে দলবল নিয়ে স্টেডিয়ামের সবুজ আঙিনাতে শেষ মুহূর্তের অনুশীলন সেরেছে বাংলাদেশ। সতীর্থদের সঙ্গে পুরোদমে অনুশীলন করতে পারেননি কেবল কৃষ্ণা রানী সরকার। দিন পাঁচেক আগে পাওয়া হাঁটুর হালকা চোটের কারণে দল ছুট হয়ে হালকা অনুশীলন সারতে হয়েছে এই ফরোয়ার্ডকে। কৃষ্ণা ছাড়া বাকিদের নিয়ে দুর্ভাবনা নেই রব্বানীর। রম্নপনা চাকমা, আঁখি খাতুন, মাসুরা পারভীন, শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার (সিনিয়র), মনিকা চাকমা, মারিয়া মান্ডা, মিশরাত জাহান মৌসুমী, সাবিনা খাতুন, সানজিদা আক্তার ও সিরাত জাহান স্বপ্নাকে নিয়ে আলাদা অনুশীলন করে কোচ যেন ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন ভুটান ম্যাচের সম্ভাব্য একাদশের। অবশ্য কৃষ্ণার জন্য শেষ মুহূর্ত পর্যনত্ম অপেড়্গার কথাও বললেন রব্বানী।
‘কৃষ্ণার ট্রেনিং হালকা স্ট্রেচিং করানো হয়েছে। এখনও ২৪ ঘণ্টা সময় আছে। তারপর ওকে নিয়ে সিদ্ধানত্ম নিব।’ রব্বানীর চিনত্মার আরেকটি জায়গাও আছে। সেটা হচ্ছে অসমান মাঠ। ঘাসের মাঠে খেলা হবে দেখে দেশে বাফুফের টার্ফ ছেড়ে মেয়েদের বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নিয়েছিলেন কোচ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কোচ জানালেন পরিসি’তি যাই হোক, লড়তে হবে পেশাদারদের মতো। ‘টুর্নামেন্ট ফিক্সড হয়ে গেছে। এখন আমাদের এ মাঠেই খেলতে হবে। এ নিয়ে আর বাড়তি চিনত্মা করার কিছু নেই। মেয়েরা পেশাদার খেলোয়াড়। এ বছর তারা অনেক আনত্মর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। অভিজ্ঞতা হয়েছে। তারা যেহেতু পেশাদার খেলোয়াড়, যখন যে অবস’াই থাকবে সেটার সঙ্গে মানিয়ে নিয়েই তাদের লড়্গে পৌঁছাতে হবে। ম্যাচটি আমাদের জন্য খুবই গুরম্নত্বপূর্ণ। আমরা সবাই জানি কাল আমরা জিতলে সেমি-ফাইনালে উঠব। এজন্য আমাদের মূল ফোকাস কালকের ম্যাচ নিয়ে। শতভাগ দেওয়ার জন্যই আমরা মাঠে নামব।’
শুধু জয় নয়, সেমি-ফাইনালে ভারত বাঁধা এড়াতে বড় ব্যবধানের জয়ও দরকার বাংলাদেশের। ভুটানকে চার গোলের ব্যবধানে হারাতে পারলে নেপালের সঙ্গে পরের ম্যাচে ড্র করলেই গ্রম্নপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেরা চারে অন্য গ্রম্নপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন শিরোপাধারী ভারতকে এড়াতে পারবে বাংলাদেশ।