ভিক্টোরিয়া জুট মিলে অগ্নিকা- কারণ জানতে পাঁচ সদস্যের কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক

নগরের এ কে খান মোড়ে ভিক্টোরিয়া জুট মিলে অগ্নিকা-ের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদনত্ম কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. হাবিবুর রহমান শনিবার বিকালে জানান, ভিক্টোরিয়া জুট মিলে অগ্নিকা-ের কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাশহুদুল কবিরকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদনত্ম কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে কমিটি। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার পঙ্কজ বড়ুয়া, ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্সের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ এবং স’ানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর নেছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে, আগুনে গোডাউনগুলোর ভেতরে থাকা প্রচুর পরিমাণের পস্নাস্টিক, ইলেক্ট্রনিক পণ্য, টিভি-ফ্রিজ, তুলা, চাল, ঢেউটিনসহ সকল মালামাল পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে গেলেও আশপাশে পানির সংকট পড়ায় কাজে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটে।
এর আগে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টা থেকে চারটি ইউনিটের ১৪টি গাড়ি আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও সন্ধ্যায় আরও ছয়টি গাড়ি ঘটনাস’লে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজে অংশ নেয়। সর্বশেষ শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের স্পেশাল স্মোকেল গাড়ি, হোম ট্রেন্ডার, লিবারেডিসহ কয়েকটি স্পেশাল ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে। তবে শুক্রবার রাত ১০টার পর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।
চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ‘পণ্যদ্রব্যের গুদামগুলোতে ক্যামিকেল ও তুলার মতো দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হয়েছে। আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে রাত ১০টা পর্যনত্ম কাজ করতে হয়েছে। এরপরে ডাম্পিংয়ের কাজ চলেছে আরও প্রায় দুই ঘণ্টা। ’
এদিকে ভিক্টোরিয়া জুট মিলের মালিকানায় থাকা ইস্পাহানি সামিট অ্যালায়েন্স টার্মিনাল লিমিটেডের ম্যানেজার (অ্যাডমিন) নুরম্নল আলম গণমাধ্যমকে জানান, আগুনে তাদের ছয়টি প্রতিষ্ঠানের অনত্মত একশ কোটি টাকার ড়্গয়ড়্গতি হয়েছে।’