ব্রেক্সিট ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ

সুপ্রভাত বহির্বিশ্ব ডেস্ক
brexit

যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ (ব্রেক্সিট) ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভোটাভুটির প্রাক্কালে পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ আইনমন্ত্রী ফিলিপ লি। ব্রেক্সিট ইস্যুতে সরকারের কৌশল পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার মন্ত্রিত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির এই নেতা। খবর বাংলাট্রিবিউনের।
২০১৬ সালে ব্রেক্সিট ইস্যুতে অনুষ্ঠিত গণভোটে ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে অবস’ান নিয়েছিলেন এই রাজনীতিক। এখন মন্ত্রিত্ব ত্যাগের ফলে তিনি সরকারের অবস’ানের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।ফিলিপ লি বলেন, যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে গেলে আমার আসনের জনগণ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। ফলে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়াটা হবে দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ।
যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের বিষয়ে দ্বিতীয় দফায় আরেকটি গণভোটের আয়োজন করতে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নে বিলম্বের আহ্বান জানান ফিলিপ লি। এদিকে যুক্তরাজ্যের ইউরোপ ত্যাগের পক্ষে আন্দোলন করেছেন এমন কয়েকজন ব্রেক্সিটের পক্ষে হওয়া আন্দোলনকে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ আখ্যা দিয়ে স্মৃতি জাদুঘর স’াপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। সংগঠনের সদস্যরা মিউজিয়াম অফ ব্রেক্সিট ডট ইউকে নামের একটি ওয়েবসাইট খুলে সেখানে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দাদের ২০১৬ সালের ২৩ জুনে ব্রেক্সিটের পক্ষে হওয়া গণভোটের স্মৃতিবিজড়িত ভাষণের অনুলিপি, আন্দোলনের স্মৃতিচিহ্ন, ছবি, ফিতার তৈরি ব্যাজ, প্রচারপত্রসহ অন্যান্য জিনিস পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন।
ওয়েবসাইটটিতে বলা হয়েছে, ‘আমাদের পরিকল্পনা স্মৃতি, ঘটনা এবং সংশ্লিষ্ট জিনিসগুলোকে এক জায়গায় নিয়ে আসা যাতে আমাদের দেশের ইতিহাস সংরক্ষণ করা যায়। আমাদের লক্ষ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এমন একটি সংগ্রহশালা তৈরি করা যা যুক্তরাজ্যের স্বাধীনতার জন্য হওয়া আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেবে। মিউজিয়াম অব ব্রেক্সিট নামের সার্বভৌমত্বের স্মৃতিবাহী জাদুঘরটি বানানোর উদ্যোগ যারা নিয়েছে এই ওয়েবসাইটটি তাদের।’
জাদুঘরটির জন্য নির্দিষ্ট স’ান এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। তবে লিংকন শহরসহ ইংল্যান্ডের মধ্যভাগে ব্রেক্সিটের পক্ষে সমর্থন প্রবল হওয়ায় সেখানকার কোনও একটি স’ানেই জাদুঘরটির স’াপিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। জাদুঘরের উদ্যোক্তারা ইতিমধ্যে যুক্তরাজ্যের উগ্র ডানপন’ী ‘ইউকে ইন্ডিপেন্ডেন্স পার্টির’ (ইউকেআইপি) সাবেক নেতা নাইজেল ফারাজের সমর্থন পেয়েছেন, যিনি ব্রেক্সিটের পক্ষে শক্তিশালী প্রচারণা চালিয়েছিলেন।