ব্রাদার্সকে হারালো আবাহনী

সুপ্রভাত ক্রীড়া ডেস্ক

বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে দলকে টানলেন। নিভতে বসা আশার প্রদীপ উজ্জ্বল করে তুললেন। কিন’ শেষ পর্যন্ত ব্রাদার্সকে জয়ের আলোয় ছোঁয়া এনে দিতে পারলেন না ইয়াসির আলি চৌধুরী। মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন ও মাশরাফি বিন মুর্তজার অলরাউন্ড পারফরম্যান্স জয় এনে দিল আবাহনীকে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ১৪ রানে হারিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা এই নিয়ে জিতল তিন ম্যাচের সবকটি। খবর বিডিনিউজ’র।
মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে গতকাল ৫০ ওভারে ৬ উইকেটে ২৩৬ রান তোলে আবাহনী। রান তাড়ায় ইয়াসির খেলছেন প্রায় ৯৫ স্ট্রাইক রেটে অপরাজিত ১০৬ রানের ইনিংস। অন্যদের ব্যর্থতায় ব্রাদার্স তার পরও থমকে যায় ২২২ রানে। ইনিংসের শুরু থেকে ধুঁকতে থাকা আবাহনী লড়ার মতো রান পায় শেষ দিকে সাইফ ও মাশরাফির জুটিতে। ৪৫ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন সাইফ, এবারের লিগে প্রথম খেলতে নেমে মাশরাফি ১৫ বলে ২৬। পরে ছোট রান আপে বোলিং করে মাশরাফি নিয়েছেন ২ উইকেট। সাইফের উইকেট ১টি। টস জিতে বোলিংয়ে নেমে ব্রাদার্স যথেষ্ট ভুগিয়েছে আবাহনীর টপ অর্ডারকে। ওপেনার জাহিদ জাভেদ ফেরেন ১ রানে। আঙুলে চোট পেয়ে বাইরে চলে আসা জহুরুল ইসলাম আবার ব্যাটিংয়ে ফিরেও আউট হয়েছেন ১৪ রানে। আগের দুই ম্যাচে ব্যর্থ শ্রীলঙ্কান ওপেনার কৌশল সিলভার বদলে এই ম্যাচে আবাহনী খেলিয়েছে ওয়াসিম জাফরকে। কিন’ অভিজ্ঞ এই ভারতীয় ব্যাটসম্যানও দলকে চাপে ফেলেছেন ২৬ বলে ৮ রান করে। নাজমুল হোসেন শান্ত ও মোসাদ্দেক হোসেন চেষ্টা করেন দলকে উদ্ধারের।
মন’র গতিতে হলেও গড়ে তোলেন জুটি। তবে দুজনের কেউই পারেননি ইনিংসকে পূর্নতা দিতে। ৭২ বলে ৪৪ রান করে আউট হন শান্ত। সময়ের দাবি মেটাতে পারেননি সাব্বির রহমান। এক প্রান্তে পড়ে থাকা মোসাদ্দেক পারছিলেন না ইনিংসতে গতি দিতে। সাইফ নামার পর বাড়ে রানের গতি। ৯৫ বলে ৫৪ করে মোসাদ্দেক যখন আউট হলেন, আবাহনীর দুইশ নিয়েই টানাটানি। সাইফ ও মাশরাফি বদলে দেন চিত্র।