বিআইবিএমের প্রতিবেদন

ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকটের আশঙ্কা: দরকার সাবধানতা

সুপ্রভাত ডেস্ক

বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং ব্যবস্যায় যথাযথ সাবধানতা অবলম্বন না করলে তারল্য সংকট আরো বাড়ার আশংঙ্কা রয়েছে। ঋণের প্রবৃদ্ধি যে হারে বাড়ছে তার চেয়ে অনেক কম হারে বাড়ছে আমানত। ২০১৫ সালের জুনে ঋণের প্রবৃদ্ধি ছিল ১২ দশমিক ৭ শতাংশ আর আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল একই সময়ে ১২ দশমিক ৬ শতাংশ। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে ঋণের প্রবৃদ্ধি ১৮ দশমিক ১ শতাংশ সেখানে আমানতের প্রবৃদ্ধি ১০ দশমিক ৬ শতাংশ। এ অবস’া চলতে থাকলে তারল্য সংকট আরো বাড়বে।
মঙ্গলবার রাজধানীর মিরপুরে বিআইবিএম অডিটোরিয়ামে ‘ট্রেজারি অপারেশনস অব ব্যাংকস’ শীর্ষক বার্ষিক পর্যালোচনা কর্মশালায় উপস’াপিত গবেষণা প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এবং বিআইবিএম নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রাজী হাসান।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড.তৌফিক আহমদ চৌধূরী। স্বাগত বক্তব্যে বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধূরী দক্ষতার সঙ্গে ট্রেজারি ব্যবস’াপনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। খবর বাসস এর।
কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদন উপস’াপন করেন বিআইবিএমের অধ্যাপক মো. নেহাল আহমেদের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। গবেষণা দলে অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন বিআইবিএমের প্রভাষক রিফাত জামান সৌরভ, ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিডেটের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ট্রেজারি মেহেদী জামান এবং ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং হেড অব ট্রেজারি আরেকুল আরেফিন।
কর্মশালার উদ্বোধন করে ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান বলেন, ব্যাংকের ট্রেজারি ব্যবস’াপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সরকারি-বেসরকারি সব ব্যাংককে বিষয়টি সর্তক থাকতে হবে। বর্তমানে ডলারের দাম একটু উর্ধ্বমুখী।