বিমা নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিমা করা মানে সংশয়ে থাকা, টাকা তো দিচ্ছি সেগুলো পাবো তো? নাকি বিমা দাবির টাকা আনতে পোহাতে হবে হয়রানি। এরকম সংশয়ে থাকেন গ্রাহকরা। কয়েকটি কোম্পানির কারণে সুনাম ড়্গুণ্ন হচ্ছে বিমা খাতের। তবে মানুষের আস’া অর্জনে কাজ করছে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপড়্গ।
জানা যায়, বিমা গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিমা মেলার আয়োজন করা হচ্ছে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শহরে। তারই অংশ হিসাবে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তৃতীয় বিমা মেলা।
এদিকে দুদিনব্যাপী বিমা মেলার প্রথম দিনে গতকাল শুক্রবার মেলায় দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। অনেকে আসছেন বিমা মেলা দেখতে। অনেকে এসেছেন অভিযোগ ও পরামর্শ নিতে। বিমা নিয়ে মানুষের আগ্রহ বাড়ছে।
কয়েকটি স্টল ঘুরে দেখা যায়, একটি স্টলগুলে গিয়ে নানা বিষয়ে প্রশ্ন করছেন রাজিয়া আকতার। স্টলের কর্মকর্তারাও তাকে বুঝিয়ে দিচ্ছেন বিষয়গুলো।
২০১১ সালে একটি বিমা করেছিল জানিয়ে রাজিয়া বলেন, বিমা করার পর নিয়মিত টাকা পরিশোধ করে আসছি। প্রায় ছয় বছর নিয়মিত বিমাটি চালিয়েছি। দশ বছরের জন্য করা বিমাটি এখন প্রায় আট বছর হলেও প্রায় বিগত দুই বছর টাকা পরিশোধ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে যার মাধ্যমে বিমা করেছি, তার কাছে গেলে সে বিমার মেয়াদ শেষ হবার পরে আসার জন্য বলেন। তবে আমি সংশয়ে আছি, আমি কি লাভ পাবো নাকি আমার মূল টাকাটা পাবো না। বিমা মেলার কথা শুনে এসেছি। এসে আশাবাদী হলাম, বিমার মেয়াদ শেষ হলে আমার টাকা ফিরে পাবো।
বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপড়্গের সদস্য গকুল চাঁদ দাস বলেন, বিমা করলে সে টাকা ফেরত পাওয়া যায়, সে বিষয়ে মানুষকে সচেতনতা করার লড়্গে বিমা মেলা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে কোন ব্যক্তি দুই বছর বিমার টাকা পরিশোধ করার পর কোন কারণে যদি সেটা আর পরিশোধ করতে না পারেন, তখন বিমার মেয়াদ
পূরণ হওয়া পর্যনত্ম অপেড়্গা করতে হবে। তাহলে বিমা দাবির টাকাসহ পাবেন বিমাকারী। এখন আমরা অনলাইন পদ্ধতি চালু করার মাধ্যমে গ্রাহক বিমার টাকা জমা দিলে সেটা তার মোবাইলে এসএমএস চলে যাবে।
তিনি আরো বলেন, বিমা থাকলে অর্থনীতির নিরাপত্তা থাকবে। ৭৮টি বিমার মধ্যে দুইটি সরকারি ও একটি বিদেশি বিমা কোম্পানি রয়েছে। বাকি ৭৫টি কোম্পানি বেসরকারি, তারা আপ্রাণ চেষ্টা করছে বিমাখাতকে এগিয়ে নিতে। সরকারও আনত্মরিকতার সাথে কাজ করছে।