রয়েল সিমেন্ট-দৃষ্টি ডি টিন সামিটের সমাপন

‘বিতার্কিকরা আগামী দিনের কারিগর’

কূপমণ্ডুকতা ও কুসংস্কার সমাজকে পিছিয়ে দেয়। উন্নয়নের ক্ষেত্রে আর এর মাঝেই হারিয়ে যায় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন। প্রগতিশীল সমাজ পরিবর্তনের অন্যতম হাতিয়ার বিতর্ক। বিতাকির্করা’ই আগামী দিনের দেশ পরিচালনা করবেন। জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চার মাধ্যমে তারা দেশকে আলোকোজ্জ্বল আগামীর সন্ধান দিবেন। রয়েল সিমেন্ট দৃষ্টি “ডি টিন সামিট” এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। গতকাল নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এ সামিটের সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী। অতিথি ছিলেন প্রাক্তন বিতার্কিক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক মনোজ সেনগুপ্ত, সানশাইন গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ সাফিয়া গাজী রহমান ও রয়েল সিমেন্ট লিমিটেড এর প্রধান যোগাযোগ কর্মকর্তা ফয়সাল নাসির খান ।
এতে প্রধান অতিথি বলেন, “একজন মানুষ তখনই আলোকিত হয় যখন সে ছোট থেকেই সুশিক্ষা পায়। এর মাধ্যমেই মানুষ ধীরে ধীরে ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকায় পরিণত হয়। আজকের বিতার্কিকরা আগামী দিনের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন। এজন্য এখন থেকে তাদের তৈরী করতে হবে।”
প্রাক্তন বিতার্কিক ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তার বক্তব্যে বলেন, “বিতার্কিকদের শুধু শিরোপা অর্জনের জন্য বিতর্ক করলে হবে না, তাদের গঠনমূলক জ্ঞান অর্জন করতে হবে। অর্জিত জ্ঞান বিতরণের জন্য উদ্যোগী হতে হবে। দেশ তাকিয়ে আছে তাদের দিকেই।”
রয়েল সিমেন্টের চিফ কমিউনিকেশন অফিসার ইঞ্জিনিয়ার ফয়সাল নাসির খান বলেন, “এদেশের তরুণরা অনেক বেশি সৃজনশীল ও মেধাবী, তারাই বাংলাদেশকে সৃমদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে। সৃষ্টিশীলতা সবসময় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যায়। বিতর্কের মত সৃষ্টিশীল কাজগুলিই শিক্ষার্থীদের জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে সাহায্যে করে।
কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রামের সরকারি সিটি কলেজকে পরাজিত করে ঢাকা কলেজ বিজয়ী হওয়ার গৌরব অর্জন করে। একইসাথে অনুষ্ঠিত হয় আইডিয়া জেনারেশন ও প্রেজেন্টেশন কনটেস্ট প্রতিযোগিতায় । এতে প্রথম স্থান অধিকার করে ডা. খাস্তগীর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঐন্দ্রিলা বড়ুয়া, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী আরিফুল ইসলাম আসিফ ও যৌথভাবে তৃতীয় স্থান অধিকার করে চট্টগ্রাম কলেজের শিক্ষার্থী শ্রেষ্ঠা চৌধুরী ও সরকারি কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী জান্নাতুর মাওয়া অমিয়া। দৃষ্টি চট্টগ্রামের সভাপতি মাসুদ বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন যুগ্ম সম্পাদক সাইফুদ্দীন মুন্না, যুগ্ম সম্পাদক জুনায়েদ কৌশিক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রধান বিচারক কাজী আরফাত, ডি টিন সামিটের সমন্বয়কারী মুন্না মজুমদার ও সৌরভ নাথ। উল্লেখ্য, ৩ দিনব্যাপী এই সম্মেলনে সারা দেশের ৩৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। বিজ্ঞপ্তি