বিজয়ের মাস ও জাতীয় নির্বাচন সময়টা এগিয়ে যাওয়ার

আজ ১৬ ডিসেম্বর। স্বাধীন জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশের দিন। নয় মাসের যুদ্ধ শেষে বিজয় অর্জিত হয় এই দিনে। পৃথিবীর মানচিত্রে স্বাধীন ভূখ-ের পরিচয় পায় বাংলাদেশ।
বিজয়ের ৪৭তম বার্ষিকীতে জাতি উদযাপন করছে দিবসটি। প্রতিটি বাঙালির কাছে দিনটি গৌরবের। শুধু এই দিনটি নয়, পুরো ডিসেম্বরই বিজয় উৎসবের। এবার জাতীয় নির্বাচনের কারণে ভিন্নমাত্রা পেয়েছে এ মাসটি।
গত ৪৭ বছরে অর্থনৈতিকভাবে অনেক এগিয়েছে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের যুদ্ধবিধ্বসত্ম অবস’া থেকে শুরম্ন করে এখন পর্যনত্ম অনেকগুলো সূচকে বাংলাদেশের বড় ধরনের ইতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে। স্বাধীনতার প্রথম কয়েক বছর লেগে গেছে অর্থনীতি ঠিক করতে। তারপর নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে গত ১০ বছরে যেভাবে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে, সেটা খুবই আশাব্যঞ্জক।
আনত্মর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাপ্তাহিক ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ সম্প্রতি একটি সংখ্যায় ‘টপ টেন গ্রোয়ার্স’ বা কোন দশটি দেশ এ মুহূর্তে জিডিপিতে শীর্ষ দশে রয়েছে তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায় বাংলাদেশ এখন শুধু দড়্গিণ এশিয়ায় অর্থনীতিতে ভালো করছে তা নয়, বরং পৃথিবীর সেরা দশ জিডিপি অর্জনকারী দেশের ভেতর বাংলাদেশের অবস’ান দ্বিতীয়। প্রথমে রয়েছে সিরিয়া ৯.৯, তারপরে বাংলাদেশ ৭.৭ (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারের হিসেবে এটা ৭.৮), তারপরে তৃতীয়
অবস’ানে রয়েছে ভারত ৭.৬।
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন দৃশ্যমান বিষয়। এ মুহূর্তে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অনেক সূচকে বাংলাদেশ এগিয়ে।
সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে ১ কোটি ২৩ লাখ ভোটার প্রথমবারের মতো ভোট দেবে। ২২ থেকে ২৮ বছর বয়সী ভোটার প্রায় আড়াই কোটি। যা দেশের মোট ভোটারের এক চতুর্থাংশ। এবারের নির্বাচনে তরম্নণ ভোটাররা বড় ভূমিকা রাখবে এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। এ তরম্নণরা নিশ্চিত সেই নেতাকেই পছন্দ করবেন যিনি ভিশনারি, যিনি মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে পারবেন এবং স্বপ্নকে বাসত্মবায়নের পথে নিয়ে যাবেন।
বর্তমান বিশ্ব প্রতি মুহূর্তে এগিয়ে যাওয়ার। মানুষ ভোট দেবে দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য। অর্থনৈতিক উন্নতি ও প্রবৃদ্ধির সুফল পেতে সুশাসন ও দুর্নীতির বিরম্নদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে আগামীর নেতৃত্বকে, যারা রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবেন।
রম্নশো মাহমুদ