পশুর হাটে মৌসুমী ব্যবসা

বাহারি মালা ও ঘণ্টিতে আকৃষ্ট ক্রেতারা

সুমন শাহ, আনোয়ারা

আর দুইটা রাত পোহালেই মুসলিম সম্প্রদায়ের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা তথা কোরবানির ঈদ। এখন পশুর হাটে তাই ক্রেতা-বিক্রেতা সবারই সমান ব্যস্ততা। আনোয়ারার পশুর হাটগুলোও তার ব্যতিক্রম নয়। গরু-ছাগল বিকিকিনির পাশাপাশি সেখানে পশু সাজাতে মালা ও ঘণ্টির দোকান সাজিয়ে বসেছে অনেক মৌসুমী ব্যবসায়ী। উপজেলার বিভিন্ন গরু হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

তৈলারদ্বীর সরকার হাটে ঢুকে বাম দিকে গেলেই দেখা যায়, সোজা লাইনে কয়েকটি মালা ও ঘণ্টির অস’ায়ী দোকান। দোকানের সামনে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কোরবানির গরু, ছাগল ও মহিষকে সাজানোর জন্য বিভিন্ন রঙের কাগজ, কাপড়ের মালাসহ হরেক সরঞ্জাম। গরু, ছাগল ও মহিষ কেনার পর কিছু কিছু ক্রেতা আগ্রহের সঙ্গে ওসব জিনিস দরদাম করে কিনছেন। এছাড়া সেখানে বিক্রি হচ্ছে পশুখাদ্য ও পশু সামলানোর জন্য লাঠি। বিক্রেতারা জানান, প্রতিটির লাঠির দাম রাখা হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা, আকারভেদে ঘণ্টির দাম ১৫০ থেকে ২০০টাকা ও ঘাসের দাম প্রতি আঁটিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা।

পশুর হাটের মালা ব্যবসায়ীরা জানান, গরুর বেপারিরা তাদের গরুর প্রতি ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য মালা বা ঘণ্টি কেনেন। এর পাশাপাশি সেখানে জরি ও সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে। এগুলো গরুর মাথায় ও শিংয়ে লাগানো হয়। তাতে গরুর সৌন্দর্য বাড়ে।

মালঘর থেকে গরু বিক্রি করতে আসা মো. ওয়াহিদ বলেন, ভালো দাম পেতে বিভিন্ন সাজে সাজিয়ে আমরা গরু নিয়ে আসি ক্রেতাদের কাছে। কারণ ক্রেতারা পরিচ্ছন্ন ও সাজানো গরুর প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। বিশেষ করে, বড়দের সাথে থাকা ছোট বাচ্চারা ওইরকম সাজানো গোছানো গরুই বেশি পছন্দ করে।