বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ চট্টগ্রামের পর্যটন খাত খুবই সম্ভাবনাময়

বিজ্ঞপ্তি
Exif_JPEG_420

দেশের অর্থনৈতিক অবদানে চট্টগ্রাম বন্দরের পরের অবস’ান হতে পারে চট্টগ্রামের পর্যটন খাত। মহান সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর সম্পদে ভরিয়ে দিয়েছেন প্রাচ্যের রানী খ্যাত বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রামকে। প্রয়োজন শুধু সম্মিলিত সমন্বয়ে সময়োপযোগী পরিকল্পনার সঠিক বাস্তবায়ন। গত ১১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নগরীর একটি হোটেলে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের উপসি’তিতে বাণিজ্যিক রাজধানী বাস্তবায়ন পর্ষদ (বারাবাপ) আয়োজিত মত বিনিময় সভায় উপরোক্ত মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ বলেন, সমৃদ্ধির সিংহদ্বার চট্টগ্রাম হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র। আমদানি রপ্তানির ৯০ শতাংশই যেমনটি চট্টগ্রাম বন্দর দিয়েই সম্পন্ন হয়ে দেশের সিংহভাগ অর্থনৈতিক অবদান রাখছে, তেমনটি এর পরের অবস’ান হিসেবে অবদান রাখতে পারে চট্টগ্রামের পর্যটন খাত। সীতাকুণ্ডসহ বিস্তৃত এলাকা জুড়ে সাগরপাড়, মেরিন ড্রাইভ, কর্তফুলী তীর, আনোয়ারা ও বাঁশখালী নিয়ে বিশাল এক পর্যটন জোন গড়ে তোলা সম্ভব।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বর্তমান সরকার চট্টগ্রামের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দে সর্বকালের রেকর্ড স’াপন করেছেন। কারণ চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানেই পুরো দেশের উন্নয়ন। ধর্ম-বর্ণ কিংবা দলমত নির্বিশেষে দেশের শুভাকাঙ্খী সবাইকে একবাক্যে তা স্বীকার করতে হবে। উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে যানজট নিরসনে রেল স্টেশন থেকে পতেঙ্গা বিমান বন্দর পর্যন্ত রেল সার্ভিস চালু, কালুরঘাট থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ওয়াটার বাস কিংবা ওয়াটার টেক্সি চালু করার দাবি জানানো হয়।
বারাবাপের সভাপতি এস. এম সিরাজুদ্দৌলার সভাপতিত্বে সভায় উপসি’ত ছিলেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী গোলাপ রহমান, এড. সৈয়দ কামাল উদ্দিন, উপদেষ্টা এমদাদুল হক চৌধুরী ও মোহাম্মদ ফরিদ, পরিকল্পনা সচিব জিয়াউদ্দিন খালেদ চৌধুরী, মহাসচিব সালেহ আহমেদ সুলেমান, যুগ্ম-মহাসচিব ভূপেন দাশ ও মো. কুতুব উদ্দিন, প্রেস সচিব এম. হাসেম তালুকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সচিব আলমগীর রানা, জনসংযোগ সচিব এহসান উল্লাহ জাহেদী, সাংস্কৃতিক সচিব দিলরুবা খানম, ফটোসাংবাদিক শোয়েব ফারুকী, ড. সেলিম খান, মাহবুবুর রহমান, সাকিব নেওয়াজ চৌধুরী, মোজাম্মেল হক ও সোলায়মান বাদশা প্রমুখ।