বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয়ের উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠান

বিজ্ঞপ্তি

নগরীর সার্সন রোড আসকার দিঘীর পাড়স’ জয়পাহাড় হাউজিংয়ে ১১ জানুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয় কর্তৃক আয়োজিত হয় প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম-১ এর উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতানুষ্ঠান ও আলোচনা সভা।
অনুষ্ঠানে শুরম্নতে মঙ্গল প্রদীপ জ্বালিয়ে উদ্বোধন করেন ব্যবসায়ী শিব শংকর দেব। বাগীশ্বরী সঙ্গীতালয় এর অধ্যড়্গ টিভি ও বেতার শিল্পী রিষু তালুকদারের সঞ্চালনায় বিউটি দেবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাগীশিক কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সম্পাদক সঙ্গীত শিল্পী প্রকৌশলী সুমন সেন, যীশু সেন, তবলা শিল্পী টিটন ধর, শিড়্গক সমীরণ সেন, শিল্পী জয়দীপ চৌধুরী, চুমকী সেন।
শুরম্নতে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত পরিবেশন করেন শিল্পী নবনীতা দেব, রাগ মালকোষ, বন্দীশ (বড় খ্যাল), পগলাগন দে মহারাজ কুবাব, মধ্যলয় নাদ সমুদ্র পায়ো না পায়ো, যন্ত্রে ছিলেন হারমোনিয়ামে তিথি, তানপুরায় পুনম, তবলায় পলাশ দে। শিল্পী তিথি মলিস্নক পরিবেশন করেন রাগ যোগ, বন্দীশ (বড় খ্যাল) রাম চরণ সুখ দাই, মধ্যলয় সজন মোরে ঘর আয়ো।
যন্ত্রে ছিলেন হারমোনিয়ামে পুণম, তানপুরায় নবনীতা, তবলায় পণাশ দে।
শিল্পী পুনম দে পরিবেশন করেন রাগ আড়াণা, বন্দীশ (বড় খ্যাল) করত বরজোরী, মধ্যলয় গগরী মোরি ভরণে। যন্ত্রে ছিলেন হারমোনিয়ামে তিথি, তানপুরায় নবনীতা, তবলায় পলাশ দে।
সর্বশেষে শিল্পী নবনীতা দেবের কণ্ঠে লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণে (রবীন্দ্র সঙ্গীত), এসো হে সজল ঘন (নজরম্নলগীতি)। শিল্পী পুনম দে কণ্ঠে আকাশ প্রদীপ জ্বলে (আধুনিক), খাঁচার ভিতর অচিন পাখী (লালনগীতি)। শিল্পী তিথি মলিস্নকের কণ্ঠে একটা গান লিখো আমার জন্য।
মিলন হবে কত দিনে এবং শিশু শিল্পী প্রকৃতি দাশ ও প্রাপ্তি দাশের পরিবেশনায় মধ্যদিয়ে প্রাণবনত্ম এই উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত সন্ধ্যার সমাপ্তি ঘটে।