বাংলা নববর্ষ বরণ

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব

বিজ্ঞপ্তি
0000

১৪২৫ বঙ্গাব্দ বাংলা নববর্ষকে বরণ উপলক্ষে নগরীতে বিভিন্ন সংগঠন নানা আয়োজনে দিনটি পালন করেছে। অনুষ্ঠানসূচির মধ্যে ছিলো বৈশাখী মেলা, লোকজ উৎসব, শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা। আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের উদ্যেগে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে ১৪ এপ্রিল দিনব্যাপী বর্ণ্যাঢ্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, পান’া ভাতের আয়োজন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
শনিবার সকাল ৯ টায় সার্কিট হাউসের সামনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত থেকে বেলুন উড়িয়ে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ এর মঙ্গল শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা।
মঙ্গল শোভাযাত্রাটি প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় অংশ নেন বিভাগীয় পরিচালক (স’ানীয় সরকার) দীপক চক্রবর্তী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মো. নুরুল আলম নিজামী, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মো. মোমিনুর রশিদ আমিন, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মাসুদ উল হাসান, জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা, সিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার এসএম মোস্তাইন হোসেন, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোজাফ্ফর আহমদ, জহুর আহমদ চৌধুরী ফাউন্ডেশনের পরিচালক শরফুদ্দিন চৌধুরী রাজু, জেলা প্রশাসনের উপ-পরিচালক (স’ানীয় সরকার) ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) মো. মমিনুর রশিদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মাশহুদুল কবির, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ প্রশাসন, র্যাব, সরকারের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা- কর্মচারী, জেলা শিল্পকলা ও শিশু একাডেমির কর্মকর্তা- প্রশিক্ষক ও প্রশিক্ষণার্থী, বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির মুক্ত মঞ্চে বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়াজন করে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে ও কবি ফারুক তাহেরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার নুরেআলম মিনা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) শংকর রঞ্জন সাহা বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালি জাতির প্রাণের উৎসব। আর বিশ্বে বাঙালি সংস্কৃতিকে নতুন করে পরিচয় করে দিয়েছে মঙ্গল শোভাযাত্রা। এটা আমাদের জন্য গর্বের। এ উৎসবের মধ্যে দিয়ে আমরা নতুনভাবে উজ্জীবিত হবো। আলোচনা সভা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
‘উন্নয়ন অভিযাত্রায় গর্বিত বৈশাখ’ – এ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে বর্ণিল আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী কর্মসূচির মাধ্যমে চবিতে পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ বাংলা নববর্ষ মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। সকাল সাড়ে আটটায় বিশ্ববিদ্যালয় ১ নম্বর গেইট গোল চত্বর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয় আনন্দ শোভাযাত্রা।
শোভাযাত্রা শেষে শহীদ আবদুর রব হল মাঠে মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত থেকে এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন উপাচার্য। চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও অনুষ্ঠান উদযাপন কমিটির সদস্য-সচিব মোহাম্মদ আলী আজগর চৌধুরী। এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন চবি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সফিউল আলম, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মিহির কুমার রায় ও রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য) মো. ফরহাদ হোসেন খান।
উপাচার্য তাঁর ভাষণে বলেন, নববর্ষের উজ্জ্বল প্রত্যুষে বাঙালির জীবনে আসে আনন্দবোধ ও সম্মিলন চেতনা। পুরনো দিনের জীর্ণতা ও ক্লান্তি শেষে বিদায় নেয় বসন্ত, আসে পহেলা বৈশাখ নববর্ষের নবতর বার্তা নিয়ে। উপাচার্য বাংলা নববর্ষের সূচনা, গুরুত্ব, তাৎপর্য ও বিশিষ্টতা আলোকপাত করে বলেন, বাঙালির জীবন স্পন্দনে গাঁথা রয়েছে বৈশাখের গৌরবদীপ্ত কাব্য। তাই বৃহত্তর জীবনবোধ ও সমষ্টিময় মানবিক চেতনায় পহেলা বৈশাখের প্রাণের উচ্ছ্বাস হউক ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে মহান মুক্তিযুদ্ধের নির্ভীক চেতনার অগ্নিমশাল।
জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সূচিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, নাটক, আদিবাসীদের পরিবেশনা, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পরিবেশনা, মহিলা সংসদ ও স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনা, নৃত্য-কৌতুক, রম্য বিতর্ক, লাঠিখেলা, বলীখেলা, পুতুল নাচ, বউচি খেলা এবং আমন্ত্রিক ব্যান্ড দল ‘জলের গান’ এর পরিবেশনা। এ ছাড়াও দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় বৈশাখি ও লোকজ মেলা।
চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব
গান-নাচ-আবৃত্তি আর কথামালায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব বংলা নতুন বছরকে বরণ করেছে। শনিবার পহেলা বৈশাখে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজন করা হয় দিনব্যাপী বৈশাখী উৎসবের। ক্লাবের স’ায়ী-অস’ায়ী সদস্য এবং তাদের পরিবারের লোকজনদের নিয়েই ছিল এ আয়োজন।
সকালে সাংস্কৃতিক সংগঠন আনন্দধ্বনি’র দলীয় পরিবেশনার মধ্য দিয়েই পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি কলিম সরওয়ার বলেন, চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের দ্বিতীয় আবাসস’ল চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ধীরে ধীরে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। সম্মিলিতভাবে কাজের মধ্য দিয়ে ক্লাব ভবিষ্যতে আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে। ক্লাবের সকল সদস্যই একই পরিবারের উল্লেখ করে নতুন বছরের শুরুর দিনে তিনি সকলের কল্যাণ কামনা করেন এবং নতুন বছর সকলের ভাল যাবে এ প্রত্যাশা করেন।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সাধারণ সম্পাদক শুকলাল দাশ বলেন, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব তার কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে এক অনন্য সাধারণ উচ্চতায় এসে পৌঁছেছে। দ্রুতই চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সদস্যদের জন্য আরও সুযোগ সুবিধা চালুর ঘোষণা দেন তিনি।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন বিএফইউজের সহ-সভাপতি শহীদুল আলম, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি নাজিমুদ্দিন শ্যামল, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কাজী আবুল মনসুর, সহ-সভাপতি মনজুর কাদের মনজু, বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব তপন চক্রবর্তী, ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অর্থ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার, ক্রীড়া সম্পাদক নজরুল ইসলাম, গ্রন’াগার সম্পাদক রাশেদ মাহমুদ, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক রোকসারুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মিন্টু চৌধুরী, কার্যকরী সদস্য ম. শামসুল ইসলাম, হেলাল উদ্দিন চৌধুরী উপসি’ত ছিলেন।
সাংস্কৃতিক সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ার এর উপস’াপনায় অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী ফাহমিদা রহমান, শাহরিন জহির তানি, সুপ্রিয়া, আলতুশি ও আবদুল হালিম। দলীয় নৃত্য পরিবেশন করেন স্বপন দাশ ও তার দলের সদস্যরা। বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন উচ্চারক আবৃত্তিকুঞ্জের শিল্পীরা।
চুয়েট
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এ বর্ণিল আয়োজনে ১৪ এপ্রিল বাঙালির প্রাণের উৎসব বাংলা নববর্ষ উদযাপিত হয়েছে। পহেলা বৈশাখের প্রথম প্রহরে সকাল সাড়ে সাতটায় চুয়েট গোল চত্বরে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম। শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ শিশুকিশোররা অংশগ্রহণ করেন।
শোভাযাত্রাটি চুয়েট আবাসিক গোল চত্বর থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে চুয়েট বৈশাখী মঞ্চে গিয়ে শেষ হয়।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েটের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম।
চুয়েট স্টাফ ওয়েলফেয়ারের সভাপতি (দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. ফারুক-উজ-জামান চৌধুরী।
এতে সঞ্চালনায় ছিলেন প্রকৌশলী অচিন্ত কুমার চক্রবর্তী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেন, পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব। আগে গ্রাম পর্যায়ে এই উৎসব পালন করা হতো। এখন রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপন করা হয়।
বৈশাখের অন্যতম আকর্ষণ মঙ্গল শোভাযাত্রা এখন বিশ্বঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। যে কারণে পহেলা বৈশাখের আড়ম্বর এখন বহুগুণ বেড়েছে। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এই উৎসবে অংশগ্রহণ করে। পুরনো বছরের সকল গ্লানি ও অপ্রাপ্তিকে পেছনে ফেলে নতুন বছরে নবপ্রত্যয়ে সবাই এগিয়ে যাবে এটাই প্রত্যাশা।
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে চুয়েট বৈশাখী মঞ্চে বর্ষবিদায়ের অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ’প্রাণের বন্ধনে বৈশাখ’ শীর্ষক দুইদিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালা।
চুয়েট স্টাফ ওয়েলফেয়ার উক্ত অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে। উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল চুয়েট বৈশাখী মঞ্চে চ্যানেল আই’য়ের ক্ষুদে গানরাজ এবং সেরাকণ্ঠের শিল্পীদের পরিবেশনা।
এ উপলক্ষে আয়োজিত অন্য অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল পান্তা-উৎসব, বাউল উৎসব, শিশু-কিশোরদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লটারী ড্র, বৈশাখের আলোচনা।
ইডিইউ
বাঙালির চির চেনা হাজার বছরের ঐতিহ্য পহেলা বৈশাখের উৎসবে আনন্দে মেতেছিল চট্টগ্রামের তারুণ্যমুখর বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি (ইডিইউ)।
শুধু কী আনন্দ? খাওয়া-দাওয়া, গান, স্মৃতিচারণ, নৃত্য-সবমিলিয়ে ভরপুর এক আয়োজনে জমে উঠেছিল পুরো ক্যাম্পাস। ১৪ এপ্রিল নগরীর খুলশীর পূর্ব নাসিরাবাদের নোমান সোসাইটির ইডিইউর স’ায়ী ক্যাম্পাসে কালাচারাল ক্লাব জমজমাট এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন। দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল স্মৃতিচারণ। এতে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সজল বড়-য়া বলেন, পহেলা বৈশাখ কেবল নিছক কোনো উৎসব নয়, সংস্কৃতির বন্ধনে থেকে নিজের জাতিসত্তা, ভাষা, কৃষ্টিকালচার ও মূল্যবোধের কথা মনে করিয়ে দেয় প্রতিবছর। সাংস্কৃতিক পর্বে কৃতী ছাত্রী সালসাবিল মুমু গেয়ে শোনান ‘আমি তোমাকেই বলে দেব’ গানটি।
মুন দাশ ও জিনাত শোনান ‘ফাগুন হাওয়ায় হাওয়ায়’। সুদীপ্ত দে পরিবেশন করেন ‘হয়তো তোমারি জন্য’ গানটি। আরও ছিলো ইফতির ব্যান্ডের গানের পরিবেশনা।
কালচারাল ক্লাবের উপদেষ্টা ও অনুষ্ঠানের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক প্রবাল দাশ গুপ্ত বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা দিয়ে আমাদের উৎসব শুরু হয়। ছিল পিঠাপুলির নানা আয়োজনও। আগামীতে আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।
কেজিডিসিএল
নববর্ষ উপলক্ষে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) আয়োজনে বৈশাখী উৎসব উদযাপন করা হয়। এতে কোম্পানির সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সপরিবারে অংশ নেন। উৎসবে প্রধান অতিথি ছিলেন কোম্পানির ব্যবস’াপনা পরিচালক আলী মো. আল-মামুন।