বাংলা নববর্ষের আবেদন সর্বজনীন : মেয়র

বিজ্ঞপ্তি

শনিবার থেকে শুরম্ন হয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বাংলা নববর্ষ ১৪২৬ অনুষ্ঠানমালা। এই প্রথমবারের মতো নগরীর জিমনেসিয়াম সংলগ্ন মাঠে বেলুন উড়িয়ে বর্ষ বিদায় অনুষ্ঠানসহ তিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন মেয়র আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন।
১৫ এপ্রিল পর্যনত্ম জিমনেসিয়াম সংলগ্ন মাঠে ১৪২৫ বিদায়, ১৪২৬ বর্ষবরণ এবং বৈশাখী উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানমালার মধ্যে রয়েছে আজ রোববার সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যনত্ম বর্ষবরণ এবং ১৫ এপ্রিল সোমবার বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যনত্ম বৈশাখি উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এতে করপোরেশন পরিচালিত স্কুল-কলেজের শিড়্গার্থী, অতিথি শিল্পী, চট্টগ্রাম-পার্বত্য চট্টগ্রামের শিল্পীরা লোকগীতি, নৃত্য ও মরমী সঙ্গীত পরিবেশন করবে।
এ উপলড়্গে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, বাঙালির জীবনে বাংলা নববর্ষের আবেদন চিরনত্মন ও সর্বজনীন। অতীতের সব গস্নানি ও বিভেদ ভুলে বাংলা নববর্ষ জাতীয় জীবনের সর্বড়্গেত্রে আমাদের ঐক্য আরো সুদৃঢ় করবে এবং বয়ে আনবে অফুরনত্ম আনন্দের বারতা।
মেয়র আরো বলেন, বাংলা নববর্ষ চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্যে লালিত এক অনন্য দিন। এই দিনটি সবাইকে প্রবলভাবে আপস্নুত করে এবং পুরাতনকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা যোগায়।
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত এবং সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হবে।
তিনি বলেন, এদেশ আমার আপনার সকলের। এদেশকে গড়ে তোলার দায়িত্ব আমাদের সকলের। তাই নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এদেশ হবে ড়্গুধা, দারিদ্রমুক্ত।
চসিক সমাজ কল্যাণ স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর মোহাম্মদ সলিম উলস্নাহ বাচ্চুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামসুদ্দোহ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
উপসি’ত ছিলেন প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, এইচ.এম.সোহেল.হাসান মুরাদ বিপস্নব ও চসিক প্রধান শিড়্গা কর্মকর্তা ও সদস্য সচিব সুমন বড়-য়া।