বসুধা বিল্ডার্সের বিরুদ্ধে গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবাসন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বসুধা বিল্ডার্স লিমিটেডের বিরুদ্ধে গ্রাহক প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত মেয়াদের সাড়ে আট বছর পরও গ্রাহকদের গৃহ বুঝিয়ে দিতে পারেনি এ প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে গত ৬ জুন বিক্ষোভ সমাবেশ ও গত সোমবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সামনে ভুক্তিভোগীরা মানববন্ধন করেছেন। বসুধা বিল্ডার্সের প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বশেষ গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে ভুক্তভোগীরা স্মারকলিপি দিয়েছেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০০৯ সালে দোকান বুঝিয়ে দেয়ার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত বসুধা বিল্ডার্স দোকান বুঝিয়ে না দেওয়ায় আমরা হতাশার মধ্যে দিনযাপন করছি। রাতদিন কাজ করে ঈদের ১৫ দিনের মধ্যে কাজ বুঝিয়ে দেবে বলে বসুধা বিল্ডার্সের মালিকপক্ষ থেকে জানানো হয়। বসুধা বিল্ডার্স দোকান বুঝিয়ে দিতে না পারার কারণে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে ৭ কোটি টাকা। আমরা সংগ্রাম করার জন্য দোকান ক্রয় করি নাই। আমরা দোকান ক্রয় করেছিলাম ব্যবসা করার জন্য। বসুধা বিল্ডার্স দীর্ঘদিন প্রতারণা করে যাচ্ছে বলেই আজ আমরা প্রতিবাদ করছি।
ভুক্তভোগীরা জানান, ২০০৭ সালের শুরু থেকে কদমতলীর মোড়ে রেলওয়ে থেকে ইজারা নিয়ে দশতলা ভবন মাকের্টের কথা বলে বসুধা বিল্ডার্স প্রায় ৮০০ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ১০ ও ১৫ লাখ টাকা করে নেয়। ওই বাণিজ্যিক ভবনের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০০৯ সালের মধ্যে। কিন’ ব্যবসায়ীরা চুক্তি মোতাবেক সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করার পরও দীর্ঘ সময়ে ওই দশতলা ভবনের কাজ সম্পূর্ণ করা হয়নি এবং কাউকে কোনো দোকানও বরাদ্দ দেয়া হয়নি।
স্মারকলিপিতে জানানো হয়, বুসধা বিল্ডার্স লিমিটেডের ব্যবস’াপনা পরিচালক আবদুল জব্বার খান ও কর্মকর্তাগণ আরো কয়েকটি জায়গায় অর্ধনির্মিত ভবন দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।
বসুধা রেলওয়ে মেন্স সিটি সেন্টার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি রঞ্জিত সরকার সুপ্রভাত বাংলাদেশকে বলেন, ‘মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন আমাদের স্মারকলিপি গ্রহণ করেছেন এবং বিষয়টি দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।’