স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের সভায় বক্তারা

বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির সকল প্রেরণার উৎস

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলড়্গে গতকাল বৃহস্পতিবার বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দড়্গিণ জেলা আওয়ামী লীগ : ‘আমাদের ইতিহাসে ১০ জানুয়ারি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনের পর বঙ্গবন্ধুর অনুপসি’তির কারণে যে অসম্পূর্ণতা বিরাজ করছিল, বিশ্ব জনমতের চাপে ’৭২ এর ৮ জানুয়ারি পাকিসত্মান কারাগার হতে তার মুক্তিলাভ ও ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ফলে তা পূর্ণতা পায়। তিনি ফিরে আসায় জাতীয় ঐক্য মজবুত হয়। বিদেশি রাষ্ট্রসমূহ একে একে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে। বঙ্গবন্ধুর বিশাল ব্যক্তিত্বের উজ্জ্বলতায় বিশ্ব নেতৃত্ব মোহিত হয়ে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধুকে অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নেয়।’
গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপন উপলড়্গে দড়্গিণ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে সংগঠনের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ একথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, সাম্রাজ্যবাদ, সাম্প্রদায়িকতার বিরম্নদ্ধে বঙ্গবন্ধু কঠোর অবস’ান নিয়ে, শ্মশানে পরিণত যুদ্ধবিধ্বসত্ম দেশকে গড়ে তোলার লড়্গ্যে এগিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। এর ফলে তিনি সাম্রাজ্যবাদের চড়্গুশুলে পরিণত হন। বিশ্ব রাজনীতির বাসত্মবতায় তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা স্বাধীনতার চেতনায়, অসাম্প্রদায়িক, দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লড়্গ্যে তার দীর্ঘমেয়াদী কাজ জনগণের কাছে দৃশ্যমান ও বিশ্বাসযোগ্য হওয়ায় আগামী ৫ বছরের জন্য পুনরায় ম্যান্ডেট লাভ করেছে। শেখ হাসিনার লাখো কর্মীর ঐক্যই এই বিজয়কে সহজ করেছে। আগামীতেও এই ঐক্যই শেখ হাসিনার সফলতাকে সহজ করে তুলবে।
দড়্গিণ জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় আন্দরকিলস্নাস’ সংগঠন কার্যালয়ে সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, দড়্গিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, সহ-সভাপতি মোতাহেরম্নল ইসলাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম চৌধুরী, সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইদ্রিস, সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মির্জা কছির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ দাশ, দপ্তর সম্পাদক আবু জাফর, শিড়্গা সম্পাদক বোরহান উদ্দিন এমরান, বন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক, স্বাস’্য সম্পাদক ডা. তিমির বরণ চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আবদুল কাদের সুজন, ধর্ম সম্পাদক আবদুল হান্নান চৌধুরী মঞ্জু, নুরম্নল আলম, দেবব্রত দাশ, সৈয়দ জামাল আহমদ, চেয়ারম্যান নাছির আহমদ, সৈয়দুল মোসত্মফা চৌধুরী রাজু, ছিদ্দিক আহমদ, মাহবুবুর রহমান সিবলী, শাহিদা আক্তার জাহান, আবু সৈয়দ, মোহাম্মদ জোবায়ের, আতিকুর রহমান চৌধুরী, রেহেনা ফেরদৌস, সঞ্চিতা বড়-য়া, দিলরম্নবা চৌধুরী, তিষান সেনগুপ্ত, রোকসানা আক্তার সুখী, দীপু সেন, সুলতানা জাহিদা কনা, স্বপন সেন, মনির উদ্দিন, আবু তাহের, রফিক তালুকদার, আবদুল মান্নান, এহেসানুল হক, হারম্ননুর রশিদ চৌধুরী নেভী, আবদুল মোনাফ, এস এম বোরহান উদ্দিন, রাশেদুল আরেফিন জিসান প্রমুখ।
চবি : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলড়্গে গতকাল ১১টায় চবি বঙ্গবন্ধু চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্য দান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। এরপর পুষ্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ চবি’র পড়্গ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রাশেদ-উন-নবী ও সাধারণ সম্পাদক মশিবুর রহমান।
এ সময় চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিড়্গক সমিতির নেতৃবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বিপুল সংখ্যক সদস্য উপসি’ত ছিলেন।
উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির সকল প্রেরণার উৎস। যার জন্ম না হলে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা হতো না বাংলাদেশ নামক স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র।
উপাচার্য জাতির জনকের স্বপ্নের সোনারবাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু তনয়া আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় এক হয়ে সকলকে দেশের উন্নয়নে কাঙিড়্গত ও দৃশ্যমান অবদান রাখার আহ্বান জানান।
সিভাসু : চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদ্যাপিত হয়।
এ উপলড়্গে বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স’াপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিড়্গক, কর্মকর্তা, ছাত্রছাত্রী ও কর্মচারীরা উপসি’ত ছিলেন।
উপাচার্যের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর শিড়্গক সমিতি ও অফিসার সমিতির পড়্গ থেকে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পসত্মবক অর্পণ করা হয়। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপসি’ত ছিলেন ফিশারিজ অনুষদের ডিন ও শিড়্গক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এম. নুরম্নল আবছার খান, রেজিস্ট্রার মীর্জা ফারম্নক ইমাম, প্রক্টর প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, প্রফেসর ড. ভজন চন্দ্র দাস, অফিসার সমিতির সভাপতি মো. হাবিবুর রহমান, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. আবুল কালাম প্রমুখ।
নগর ও চট্টগ্রাম-১১ আসনের আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠন : স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলড়্গে চট্টগ্রাম-১১ আসনের সাংসদ এম এ লতিফ’র উদ্যোগে আগ্রাবাদস’ পুরাতন চেম্বার হাউস মিলনায়তনে দুপুর ১২টায় কেন্দ্রীয় নগর ও চট্টগ্রাম-১১ আসনের আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠনসমূহের নেতা-কর্মীদের উপসি’তিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বন্দর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি মোহাম্মদ নুরম্নল আলম’র সভাপতিত্বে সভায় বক্তারা বলেন, ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বসত্ম স্বাধীন দেশে ফিরে আসায় স্বাধীন দেশের মানুষ পুনরায় শক্তি ফিরে পায়।
বক্তারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা ও তার যোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার মত প্রকৃত দেশপ্রেমিক দরকার বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। বন্দর সিবিএ’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নায়েবুল ইসলাম ফটিক’র সঞ্চালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এনামুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় শ্রমিকলীগের যুগ্ম-সম্পাদক সফর আলী মহানগর আওয়ামী লীগ’র উপদেষ্টা শেখ মাহমুদ ইসহাক। এ সময় উপসি’ত ছিলেন, এইচ এম সোহেল, আব্দুল আজিজ মোলস্না, আবদুলস্নাহ আল ইব্রাহিম, জাফরম্নল হায়দার (সবুজ) ও নজরম্নল ইসলাম, সেলিম রেজা, হাজী আলী বক্স, হাজী মো. মহসীন, জহির আহমদ চৌধুরী, সালাউদ্দিন ইবনে আহমদ, মো. শফিউল আলম, মো. আসলাম, জাহিদুল আলম মিন্টু, এস এম নাছির উদ্দিন, মো. ইসকান্দর মিয়া, সৈয়দ নুরনবী (লিটন), আব্দুল মান্নান চৌধুরী, আবদুল মালেক, মো. ছানাউলস্নাহ, মো. ইসমাইল, মো. সালাউদ্দিন, মো. ফখরম্নল আবেদীন, জামাল উদ্দিন রাজু, হাজী আব্দুল মান্নান, টিসু মলিস্নক, মো. আফছার উদ্দিন, যোবায়েরী, সৈয়দ আহমেদ বাদল, অধ্যাপিকা বিবি মরিয়ম, ইমতিয়াজ বাবলা, আবু তারেক রনি, মো. শাহরিয়ার হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম (রাসেল), আবু নাছের জুয়েল, সিরাজউদ্দৌলা সিরম্ন, দিদার উলস্নাহ দিদু, নজরম্নল ইসলাম শিপু, মাসুদুর রহমান, সাজ্জাদ মাহমুদ রাসেল, মো. মনজুর আলম, মো. ইকবাল আল নূরী, মিজানুর রহমান, মো. আকতার হোসেন, মুসলিম উদ্দিন রাহাত, আব্দুল খালেক এমরান প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ : পাকিসত্মানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সনের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
জাতির পিতা স্বদেশে ফিরে আসার দিনটি স্মরণে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মৃতি পরিষদ গতকাল দুপুরে নগরীর কে বি আমান আলী রোড ফুলতল মেরন সান স্কুল এন্ড কলেজে ‘বঙ্গবন্ধু জানো’ শীর্ষক এক আলোচনা সভার আয়োজন করে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম ‘বঙ্গবন্ধু জানো’ শীর্ষক একটি প্রবন্ধ শিড়্গার্থীদের মাঝে উপস’াপন করেন।
মেরিট বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও মেরন সান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যড়্গ ড. সানাউলস্নাহর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নঈম উদ্দিন আহমদ চৌধুরী। প্রধান আলোচন ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, নগর আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হাসান, নগর আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক ও সাবেক কমিশনার ও মো. শহীদুল আলম, সেস্নাগান সম্পাদক মোহাম্মদ জহির, মঞ্জুর হোসাইন, সাহেদুল ইসলাম সাহেদ, নুরম্নল আবছার, ডা. জামাল উদ্দিন, আবদুর রহমান মামুন, এসএম সামাদ, মো. সোহেল, বোরহান উদ্দিন গিফারী, মো. আজিম উদ্দিন, ওমর রায়হান, সানজীদ, আনিসুল ইসলাম, আবদুল গাফ্ফার খানসহ অন্যরা। বিজ্ঞপ্তি