ফুল ছড়াবে ভালোবাসার সুবাস

কমল দাশ
n11

বসন্তের প্রথম দিন শেষ। দিনটিতে তরুণ-তরুণীরা বাসন্তী রঙের পাঞ্জাবি-শাড়ি পরে শামিল হয়েছে বসন্ত উৎসবে। তরুণীরা মাথায় রিং ও খোঁপায় গাঁদা ফুল গুঁজে দিনভর খুনসুটিতে মেতে থাকে। আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। ফুল ছাড়া যেন ভালোবাসা দিবসকে কল্পনাই করা যায় না। এই দিবস দুটিকে কেন্দ্র করে নগরীর ফুলের দোকানগুলো ফুলে ফুলে ভরে গেছে। ফুল ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভালোবাসা দিবসকে ঘিরে ফুলের দোকানগুলো সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ভালোবাসা দিবসে লাল গোলাপের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। প্রতিবছর বিক্রিও বেশ ভালো হয়। এর বাইরে তরুণ-তরুণীরা চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা, গ্লাডিওলাস, লিলি ফুলই বেশি কিনে। বসন্ত উৎসবের জন্য তরুণীরা গাঁদা ফুলের পাশাপাশি মাথার রিংয়ের অর্ডার দিয়েছে বেশি। ভালোবাসা দিবসের দিন ২৫ লাখ টাকার ফুল বিক্রি হবে এমন আশা করছেন ফুল ব্যবসায়ীরা। ফুল বিক্রেতারা জানান, ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর এবং ভারতসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণ বিভিন্ন জাতের ফুল এসেছে। ভালোবাসা দিবসে তরুণীরা ফুলের তৈরি অলঙ্কারই বেশি পছন্দ করেন। তাই দোকানগুলোতে কয়েক প্রকার ফুলের রিং ও মালা তৈরি হচ্ছে। অপরদিকে ফুলের আমদানি ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে কাঁচা ফুলের ব্যবসাতে দীর্ঘদিন ধরে মন্দাভাব বিরাজ করছে। তাই বাধ্য হয়ে বিভিন্ন উপলক্ষগুলোতে অন্যদিনগুলোর চেয়ে দ্বিগুণ-তিনগুণ দামে ফুল বিক্রি করতে হয়। ভালোবাসা দিবসে কেন্দ্র করে ফুলের দোকানে মাথার রিংয়ের অর্ডার দিতে এসেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাজরিন হাসপিয়া রুশমি। তিনি বলেন, বসন্ত উৎসবের জন্য রিংয়ের অর্ডার দিতে এসেছি। ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করার জন্যই আমাদের এই আয়োজন। চট্টগ্রামের ফুল ব্যবসায়ী বাহাদুর নাসারীর মালিক বলেন, এখন আমাদের দেশে ফুলের মৌসুম, তাই কৃত্রিম ফুলের ব্যবহার কোথাও হচ্ছে না। দেশীয় ফুলের বাইরে বাইরে থেকেও ফুল আসছে।